Jalpaiguri: পিএফ কাটলেও ঢুকছে না EPFO-তে, প্রভিডেন্ট নিয়েও 'অনিয়ম'! কাঠগড়ায় তৃণমূলের পুরসভা - Bengali News | 13 Year PF Dues Row Rocks Jalpaiguri Municipality, Six Bank Accounts Frozen Over 1.74 Crore Arrears - 24 Ghanta Bangla News
Home

Jalpaiguri: পিএফ কাটলেও ঢুকছে না EPFO-তে, প্রভিডেন্ট নিয়েও ‘অনিয়ম’! কাঠগড়ায় তৃণমূলের পুরসভা – Bengali News | 13 Year PF Dues Row Rocks Jalpaiguri Municipality, Six Bank Accounts Frozen Over 1.74 Crore Arrears

Spread the love

জলপাইগুড়ি পুরসভাImage Credit: নিজস্ব চিত্র

জলপাইগুড়ি: ১৩ বছর ধরে জমা পড়ছে না প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা। যা ঘিরে উত্তাল পরিস্থিতি। জলপাইগুড়িতে জোর শোরগোল। ফ্রিজ হয়ে গেল পুরসভার ছয়টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। কিন্তু এই ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে? ঠিক অভিযোগটাই বা কী?

জলপাইগুড়ি পুরসভা এখন তৃণমূলের দখলে। কিন্তু সেই পুরসভার বিরুদ্ধেই উঠল বড় অভিযোগ। পুরসভায় কর্মরত কর্মীদের বেতন থেকে কাটা প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা নির্দিষ্ট জায়গায় জমা পড়ছে না। আর এই অনিয়ম যে এক-দু’মাস ধরে চলছে, তেমনটাও নয়। বরং তা চলছে গত ১৩ বছর ধরে। অভিযোগ, ২০১১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জলপাইগুড়ি পুরসভার কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা জমা করেনি পুরসভা কর্তৃপক্ষ। তাই মূল টাকা-সহ জরিমানা এবং সুদ মিলিয়ে মিলিত অঙ্ক হয়েছে ১ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা। এত বড় অঙ্কের বকেয়া দেখে পুরসভার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জলপাইগুড়ি রিজিওনাল প্রভিডেন্ট ফান্ড দফতর।

এদিন জলপাইগুড়ি পিএফ কমিশনার পবন কুমার বনসাল বলেন, “একজন নিয়োগকর্তাকে কর্মীর বেতন থেকে পিএফ বাবদ কেটে রাখা টাকা ১৫ দিনের মধ্যে জমা করতে হয়। কিন্তু জলপাইগুড়ি পুরসভা পুরকর্মীদের পিএফের টাকা বছরের পর বছর ধরে কেটে নিলেও তা জমা পড়েনি। এখনও অবধি ১ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা বকেয়া রয়েছে। তাই আমরা পৌরসভার ছয়টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছি।”

কিন্তু এত বছর ধরে টাকা বকেয়া রাখার কারণটাই বা কী? এই নিয়েই প্রশ্ন করা হয়েছিল জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের জেলা কমিটির সদস্য সৈকত চট্টোপাধ্য়ায়কে। অনিয়মের কথা স্বীকার করেছেন তিনি। কিন্তু দায় ঠেলে দিয়েছেন পূর্বতন দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাঁধে। চেয়ারম্যানের কথায়, “যাঁরা ২০১১ সাল থেকে দায়িত্বে ছিলেন, তাঁরা হয়তো এর গুরুত্ব বোঝেননি। তবে আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পর কর্মীদের ৫৩ লক্ষ টাকা জমা করেছি। কর্মীদের টাকা বকেয়া নেই। কিন্তু এরা জরিমানা বাবদ ১ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা ধার্য করেছে। এই টাকা কেন্দ্রের ঘরে যাবে। এই নিয়ে আমরা আইনি পথে লড়াইয়ে নামব।”

অন্য়দিকে বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য পলেন ঘোষ বলেন, “জনগণের টাকা কোথায় গেল তার হিসেব চাই আমাদের। কেন এতদিন ধরে টাকা দেয়নি, সেই নিয়ে ওদের মুখ খুলতেই হবে। প্রয়োজন আমরা ওদের বিরুদ্ধে আইনি পথে নামব।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *