India in World Cup: কুড়ির আগেই ১৯ এর ঝড়! ষষ্ঠবার যুব বিশ্বকাপ জয় বৈভবদের – Bengali News | Vaibhav and his team win the Youth World Cup for the sixth time
যে বৃত্ত থেকে উত্থান হয়েছিল বিরাট কোহলির, সেখানেই ফলল সোনা! যে আঁতুরঘর থেকে একে একে উঠে এসেছেন যুবরাজ সিং, মহম্মদ কাইফরা, সেখানেই এক নায়কের উত্থান। স্ক্রিপ্ট এ ভাবে লেখা উচিত? না, তা হলে পুরো গল্পটা বলা হবে না। বলতে হলে, গত বারের আইপিএলে ফিরতে হবে। ১৪ বছরের এক বিস্ময়বালক ওপেন করতে নেমে সেঞ্চুরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। সেই তিনি যুব বিশ্বকাপে অলিন্দে নেমে পড়ার আগেই তারকার তকমা পেয়ে গিয়েছেন। যে দিন খেলেন, গ্যালারির উৎসব থামে না। ঘটনা হল, তাঁর ব্যাটকে ছুটি নিতে খুব একটা দেখা যায় না। বৈভব সূর্যবংশীর সেই ব্যাটে ভর করেই অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতল ভারত। ৮০ বলে ১৭৫ রানের ইনিংসটাই ফারাক গড়ে দিল ইংল্যান্ডের সঙ্গে। ৪১১ তুলেছিল ভারতীয় দল। ১০০ রানে ইংলিশ টিমকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতল ভারত।
ছোটদের ইংল্যান্ড চেষ্টা করেছিল লড়াই করার। ওপেনার বেন ডকিন্স ৬৬ করেছিলেন শুরুতেই। বেন মায়েস ২৮ বলে ৪৫ করে ঝড় তুলেছিলেন। থমাস রিউ ১৮ বলে ৩১ করেন। তাতেই খেলা ঘোরার গন্ধ পাচ্ছিলেন অনেকেই। সেলেব ফ্যালকনার ক্রিজে আসার পর ইংলিশ টিম আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছিল। সেলেব ৬৭ বলে ১১৫ করেন। ৯টা চার আর ৭টা ছয়ে খানিক বিভ্রান্তও দেখাচ্ছিল ভারতীয় বোলিং। কিন্তু ইংল্যান্ডের কেউ বৈভব হয়ে উঠতে পারলেন না। সেলেব আউট হতেই ভারত আবার খেলায় ফিরল। আরএস অম্বরীশ বল হাতে ৩ উইকেট নিলেন। ঠিক সময়ে জ্বলে উঠলেন তিনি। ২টো করে উইকেট দীপেশ দেবেন্দ্রন ও কনিষ্ক চৌহানের। আর কী থাকে তারপর? ফাইনাল ও বিশ্বকাপের সেরা বৈভব সূর্যবংশী।
এর আগে পাঁচবার যুব বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। এ বারেরটা ধরলে হাফডজন সাফল্য। ট্রফি জেতার পর কোচ ঋষিকেশ কানিতকর বলেছেন, ‘অসাধারণ অনুভূতি। জিম্বাবোয়েতে এর আগে খেলেছি। কিন্তু এ বারের আসাটা অন্যরকম। ছেলেগুলোর জন্য গর্ব হচ্ছে। ইংল্যান্ড লড়াই করেছিল। কিন্তু আমাদের টিম শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে। অবশ্যই ট্রফির জন্য খেলেছি। তবে একঝাঁক ছেলের উন্নতিটা সব কিছুর আগে।’
ভারতীয় দলের একমাত্র বাঙালি ক্রিকেটার অভিজ্ঞান কুন্ডু বলেছেন, ‘একটা সময় চাপ অনুভব করছিলাম। তবে ধৈর্য রেখেছিলাম। বোলারদের পাশে থেকেছি আমরা। বোলাররা কিন্তু দারুণ বোলিং করেছে। এই নিয়ে ষষ্ঠবার বিশ্বকাপ জিতলাম। আমরা সেলিব্রেট করব। গত দুটো বছর ধরে কঠিন পরিশ্রম করেছি। তার ফল হাতেনাতে মিলল। শেষবার অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছিলাম। সে দিক থেকে বদলে পারেন, আমরা বদলা নিলাম। আবার ট্রফি জিতলাম। সূর্যবংশী শুরুতেই দারুণ ব্যাটিং করে ইংল্যান্ডকে চাপে রেখেছিল। ও নিজের স্বাভাবিক খেলাটাই খেলেছে।’