Mamata Banerjee: এবার কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম দরজায় স্বয়ং মমতা – Bengali News | TMC Supremo Mamata Banerjee files petition against Election Commission of India in Supreme Court
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ফাইল ফোটো) Image Credit: TV 9 Bangla
কলকাতা ও নয়াদিল্লি: বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই সরব তিনি। এসআইআর-র জেরে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর অভিযোগ তুলে লাগাতার সরব হচ্ছেন। এবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছেন। সোমবার নয়াদিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক করার কথা মমতার। তার আগে শীর্ষ আদালতে তাঁর মামলা নিয়ে শোরগোল পড়েছে।
এসআইআর নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে একের পর এক চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসব চিঠিতে হিয়ারিংয়ে বিশিষ্টজনদের ডাকা নিয়ে সরব হয়েছেন। আবার এসআইআর-র জেরে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করে এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন।
এর আগে এসআইআর নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন তৃণমূলের দোলা সেন ও ডেরেক ও’ব্রায়েন। সেই মামলার শুনানিতে তৃণমূলের আবেদন মেনে কমিশনকে একাধিক নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। তৃণমূলের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সঠিকভাবে পালন করছে না কমিশন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগে বলেছিলেন, প্রয়োজনে তিনি সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করবেন। নিয়ম অনুযায়ী, শীর্ষ আদালতে নথিভুক্ত আইনজীবী কিংবা স্বয়ং মামলাকারী সওয়াল করতে পারেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা করায় তাঁর সওয়াল করার সুযোগ রয়েছে। তিনি শীর্ষ আদালতে আবেদনটি দায়ের করেন গত ২৮ জানুয়ারি। তবে এখনও মামলার শুনানির কোনও তারিখ ঠিক হয়নি। তবে বুধবার শীর্ষ আদালতে দোলা, ডেরেকদের দায়ের করা মামলার শুনানি রয়েছে।
আগামিকাল কমিশনের সঙ্গে নয়াদিল্লিতে বৈঠক করবেন মমতা। তাঁর সঙ্গে থাকবে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। কমিশনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন, তখন আগামিকালের বৈঠকে আলোচনা কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।
এদিকে, কমিশনের বিরুদ্ধে মমতার মামলা দায়েরকে কটাক্ষ করে বিজেপির সজল ঘোষ বলেন, “এতগুলো রাজ্যে এসআইআর হচ্ছে। সমস্যা হচ্ছে শুধু বাংলায়। রাজ্য সরকার ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ করলে এই সমস্যাই হত না।”