Kolkata Metro: কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল মেট্রো – Bengali News | Commissioner of Railway Safety grants permission to reverse through Kabi Subhash Metro Station in Kolkata
কলকাতা: প্রায় অনেকদিন হয়ে গিয়েছে কবি সুভাষ মেট্রো বন্ধ রয়েছে। স্টেশনকে ভেঙে নতুন করে আবার তৈরি করা হচ্ছে। এবার সেই মেট্রো স্টেশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের। কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন দিয়ে রিভার্স করার ছাড়পত্র মিলল কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির তরফে। নিত্য দিনের ভোগান্তির অবসান বলে দাবি মেট্রোর।
কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন সম্পূর্ণ এখনো তৈরি নয়। কিন্তু সেখানকার ট্র্যাক বা লাইনের ত্রুটি মেরামত এবং ফের ওই অংশ দিয়ে মেট্রো ঘুরিয়ে আনার ব্যাপারে ‘কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির’ ছাড়পত্র পেয়ে গেল মেট্রো রেলওয়ে। এতদিন ডাউনলাইন অর্থাৎ শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চলছিল। শহিদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশনে রেক খালি করে কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হত।
যে লাইন দিয়ে রেকটিকে নিয়ে যাওয়া হত, সেটি দিয়েই আবার আপ লাইনে ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হতো শহিদ ক্ষুদিরামের দিকে। কারণ কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশনের রিভার্স করার অংশে বড়সড় ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। অবশেষে ত্রুটি মেরামত করা সম্ভব হল। ফলে মেট্রো রেক কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশনে গিয়ে পুনরায় রিভার্স করে আপ লাইনে আসতে পারবে।
এর ফলে যে দেরি হচ্ছিল বা গাড়ির গতি যেভাবে ধীর হয়ে যাচ্ছিল, সেটা আর হবে না বলেই মেট্রো তরফে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ২০৮টি ট্রেনের মধ্যে ৩৩টি ট্রেন প্রতিদিন দক্ষিণেশ্বর থেকে এসে মহানায়ক উত্তম কুমারের শেষ হয়ে যাচ্ছিল। বাকি ১৭৫টি ট্রেন কবি সুভাষ যাচ্ছিল। তা বন্ধ করে দেওয়া হল। কারণ রিভার্স করার ক্ষেত্রে আর কোনও সমস্যা রইল না।
মেট্রোর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, যেহেতু যে লাইন দিয়ে মেট্রোটি যাচ্ছিল, কবি সুভাষ থেকে আবার সেই লাইন থেকেই আপ লাইনে তোলা হচ্ছিল তাতে অনেকটাই সময় ব্যায় হচ্ছিল। সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছিল নিত্যদিন। এই দুর্ভোগের অবশেষে অবসান ঘটল কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির ছাড়পত্র মিলে যাওয়ায়।
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২৮ জুলাই থেকে কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন বন্ধ হয়ে রয়েছে। মেট্রো স্টেশনটি নতুন করে ভেঙে তৈরি করার কাজ চলছে। চলতি বছরের জুলাই-অগস্ট মাস থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে পরিষেবা নতুন করে শুরু করার। তবে তার আগে রিভার্স করার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র মিলে যাওয়ায় গাড়ির গতি আবারও পুনরায় বাড়বে এবং ভোগান্তি কমবে বলেই মনে করছেন মেট্রো রেলের আধিকারিকরা।