‘চার্জারটা খারাপ…’, মেনোপজ নিয়ে বলতে গিয়ে একী বলে ফেললেন টুইঙ্কল খান্না! – Bengali News | Twinkle khanna shares how she is surviving not that generous menopause
বয়সকে লুকিয়ে রাখা নয়, বরং তাকে সাহসের সঙ্গে উদ্যাপন করার নামই টুইঙ্কল খান্না। সম্প্রতি ৫২ বছরে পা দেওয়া এই লেখিকা ও প্রাক্তন অভিনেত্রী তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টে বার্ধক্য এবং মেনোপজ নিয়ে যে সপাটে সত্য তুলে ধরেছেন, তা নেটদুনিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল। কোনওমেকআপ ছাড়াই নিজের একটি ছবি শেয়ার করে তিনি জানিয়েছেন, ৫০-এর কোঠায় পৌঁছে ভালো থাকাটা যতটা সহজ দেখায়, আদতে ততটা নয়।
নিজের স্বভাবজাত রসিকতার ঢঙে টুইঙ্কল লিখেছেন, “আমি বলতাম যে ভালো দেখানোর জন্য বিকেলের মিষ্টি রোদই যথেষ্ট। কিন্তু মেনোপজ অতটা উদার নয়। এটা আমার চেয়েও বড় ডাইনি । এখন নিজেকে এমন একটা ফোনের মতো মনে হয় যার চার্জারটা খারাপ, সবসময় চার্জ শেষ হয়ে থাকে, কখনও পুরো দমে কাজ করতে পারে না।
টুইঙ্কল মনে করেন, বয়সকে ‘গ্রেসফুলি’ বা মার্জিতভাবে মেনে নেওয়ার ধারণাটি আসলে একঘেয়ে। তিনি জানান, তাঁর ভালো থাকার রহস্য কোনও আধ্যাত্মিক বিষয় নয়, বরং কিছু কঠোর বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। তিনি নিয়মিত ওয়েট ট্রেনিং করেন এবং তাঁর ভাষায়, “একটি ছোটখাটো ওষুধের দোকানের সমান সাপ্লিমেন্ট” গ্রহণ করেন। এর পাশাপাশি পড়াশোনা, লেখালেখি এবং বন্ধুদের সঙ্গে ‘মাহজং’ খেলা তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের চাবিকাঠি।
মেনোপজের শারীরিক কষ্ট সামলাতে তিনি বর্তমানে হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির ভালো-মন্দ খতিয়ে দেখছেন। একইসঙ্গে তিনি তাঁর প্রতিদিনের সাপ্লিমেন্টের একটি তালিকাও শেয়ার করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩, কো-এনজাইম কিউ-১০, ভিটামিন ডি-৩, ম্যাগনেসিয়াম এবং কোলাজেন। তবে তিনি স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়েছেন যে, এগুলো কোন দাওয়াই নয়; প্রত্যেকের শরীর আলাদা, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
টুইঙ্কলের এই পোস্টটি নারীদের কাছে বিশেষ প্রশংসিত হয়েছে কারণ তিনি বার্ধক্যকে কোনো গ্ল্যামারাস মোড়কে পেশ না করে এর কঠিন বাস্তবতাকে হাসিঠাট্টার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, ৫০-এর পরে ভালো থাকার অর্থ হলো নিজের পছন্দের কাজ করা, প্রিয় বন্ধুদের সঙ্গে হাসাহাসি করা এবং নিজেকে আবার নতুন করে চিনে নেওয়া।