Domicile Certificate: গ্রাহ্য করেনি কমিশন, তবুও কলকাতায় ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের আবেদন ঢল! কেন? - Bengali News | The commission did not accept it but applications for domicile certificates are still pouring into kolkata why - 24 Ghanta Bangla News
Home

Domicile Certificate: গ্রাহ্য করেনি কমিশন, তবুও কলকাতায় ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের আবেদন ঢল! কেন? – Bengali News | The commission did not accept it but applications for domicile certificates are still pouring into kolkata why

Spread the love

ডোমিসাইল সার্টিফিকেট Image Credit: TV9 Bangla

কলকাতা: এসআইআর আবহে কলকাতা জুড়ে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বানানোর ঢল। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য হাজার হাজার আবেদন জমা পড়েছে। নির্বাচন কমিশন আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে,  এসআইআর-এর ক্ষেত্রে নথি হিসেবে গণ্য হবে না ডোমিসাইল সার্টিফিকেট। তারপরেও গত এক সপ্তাহে কলকাতায় ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের আবেদনের ঢল। এক সপ্তাহে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার আবেদন পৌঁছল কলকাতা পুলিশের কাছে ভেরিফিকেশনের জন্য।

আগামী তিন দিনের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে ভেরিফাই করার নির্দেশ দিয়েছে। এত কম সময় এত ভেরিফিকেশনের কাজ পেয়ে মাথায় হাত পুলিশের। থানা ওয়ারি তালিকায় শীর্ষে হরিদেবপুর। ৮০৪ জনের আবেদনের পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে হবে।
তারপরেই রয়েছে পর্ণশ্রী ৩৮৫, তৃতীয় স্থানে বেহালা ৩১০ জনের আবেদন।

লালবাজার সূত্রে খবর, গত শুক্রবার পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের বৈঠক হয়। তারপরেই নির্দেশ দেওয়া হয় ৩ দিনের মধ্যে ভেরিফিকেশন করার। গড়ে অন্য সময় থানা প্রতি বেশি হলে মাসে ৫ টি আবেদন আসে ভেরিফিকেশন করার জন্য। এই বিপুল সংখ্যা অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন আধিকারিকদের একাংশ। প্রশাসনিকভাবে কলকাতা উত্তর এবং দক্ষিণ দুই ভাগে বিভক্ত।

এই দুই প্রশাসনিক জেলার আবেদন জমা পড়ে কলকাতা কালেক্টরেটে। সেই আবেদনপত্র লালবাজারের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য।
SIR আবহে এই আবেদনের ঢল নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ।

প্রশ্ন উঠছে, যখন কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গণ্য হবে না, তবুও কেন এই সার্টিফিকেটের জন্য আবেদনের ঢল? পুলিশ কর্তাদের একাংশের বক্তব্য, আগে মাসে থানা পিছু গড়ে ৫টার বেশি ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা পড়ত না। এখন কয়েক গুণ বেশি আবেদন জমা পড়ছে। সেখানেই রয়েছে অস্বাভাবিকত্ব। এটাতেই পুলিশ কর্তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। কোথাও কি এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট অন্য ভাবে কোনও অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে? সেটাই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *