মাথা ব্যথা নাকি মাইগ্রেন! বুঝবেন কী করে? – Bengali News | Headache or migraine doctors explain the crucial differences you shouldnt ignore
প্রেমিক প্রেমিকার চিন্তায় হোক বা অফিসের চাপে, পরিবারের চিন্তায় হোক বা পড়াশোনার চাপে কম বেশি মাথাব্যথার শিকার অনেকেই। কারোর মাথা ব্যথা স্বাভাবিক কেউ ভুগছেন অন্য কোনো রোগে আবার অনেকেই মাইগ্রেনের শিকার। তবে মাথা ব্যথা নিয়ে মাথা ব্যথা করেন খুব কম জনই। কিভাবে তফাৎ করবেন মাইগ্রেন আর সাধারণ মাথা ব্যথার?
নিউরোলজিস্টরা বলছেন মাথাব্যথা সাধারণত চাপ বা স্ট্রেসজনিত কারণে হয়। কিন্তু মাইগ্রেন একটি নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার। এতে মাথার এক পাশে তীব্র ধকধকে ব্যথা হয়, সঙ্গে বমি, আলো ও শব্দের কাছাকাছি এলেই অসহ্য অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। একে সাধারণ মাথাব্যথার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়।
সাধারণ মাথা ব্যথা কী?
চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় Tension-Type Headache। এই সাধারণ মাথাব্যথার লক্ষণ গুলো হল মাথার দু’পাশে চাপ বা ভারী ভাব, কপাল ও ঘাড়ে টান, মানসিক চাপ বা ঘুমের অভাবে বাড়ে, আলো বা শব্দে সাধারণত তীব্র অস্বস্তি হয় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিশ্রাম, স্ট্রেস কমানো ও সাধারণ ওষুধেই কমে সাধারণ মাথাব্যথা।
মাইগ্রেনের ব্যথা কী? কেন আলাদা মাইগ্রেন? কী বলছেন চিকিৎসকরা?
মাইগ্রেনকে আন্তর্জাতিকভাবে একটি নিউরোলজিক্যাল রোগ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। মাইগ্রেনের লক্ষণ
মাথার এক পাশে তীব্র ধকধকে ব্যথা, আলো, শব্দ বা গন্ধে অসহ্য অনুভূতি, বমি বা বমি বমি ভাব যা কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত ব্যথা স্থায়ী হতে পারে। স্বাভাবিক ভাবে সাধারণ ওষুধে এই মাথা ব্যথা কমে না। মেডিক্যাল জার্নাল JAMA Neurology-তে প্রকাশিত গবেষণার তথ্য অনুযায়ী মাইগ্রেন ও টেনশন-টাইপ হেডেক দুটি আলাদা মেডিক্যাল কন্ডিশন, দু’টির ব্যথার ধরন, আক্রমণের প্যাটার্ন একেবারেই আলাদা।
কখন অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন?
চিকিৎসকদের মতে, যদি মাসে বারবার মাথা ব্যথা হয়, ব্যথার সঙ্গে বমি বা চোখে ঝলকানি দেখা দেয়, আলো বা শব্দ সহ্য না হয়, সাধারণ ওষুধে কাজ না করে দেরি না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিশ্রাম, স্ট্রেস কমানো ও সাধারণ ওষুধে আরাম মেলে।
সাধারণ মাথা ব্যথা সাময়িক সমস্যা হলেও, মাইগ্রেন একটি দীর্ঘমেয়াদি নিউরোলজিক্যাল অসুখ।মাইগ্রেনের লক্ষণ বুঝলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।