I-PAC-ED Case: সেদিন প্রতীক জৈনের ঘরের ভিতর ঠিক কী করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী? এবার সেই ছবি দিল ইডি – Bengali News | ED files case in Supreme Court against CM, DG Nagarpal in I PAC case under 17 sections
নয়া দিল্লি: I PACএর মামলায় মুখ্যমন্ত্রী-সহ ডিজি নগরপালের বিরুদ্ধে ১৭টি ধারায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা ইডি-র। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী, ডিজি-সিপির বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ ছিনিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। বাজেয়াপ্ত করা প্রচুর তথ্য প্রমাণ ইডি অফিসারদের থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগের সপক্ষে পিটিশনে ফটোগ্রাফও যুক্ত করেছে ইডি। কেন্দ্রীয় এজেন্সির বক্তব্য, পাঞ্চনামা রেকর্ড করতে বাধা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশ আধিকারিকরা। ভয় দেখানো হয়েছে, তাই সঠিকভাবে পঞ্চনামা রেকর্ড করাও যায়নি বলে অভিযোগ।
মুখ্যমন্ত্রী-সহ শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় মোট ১৭ টি ধারায় অভিযোগ দায়ের করার আবেদন জানিয়েছে ইডি। ইডির বক্তব্য, প্রতীক জৈনের বাড়িতে সেদিন জোর করে ঢুকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, কোনও অনুমতি ছাড়াই। মুখ্যমন্ত্রী, ডিজি ও সিপি নিজের হাতে তথ্যপ্রমাণ ছিনিয়ে নিয়েছেন বলে ইডি শীর্ষ আদালতে জানিয়েছে। বাড়িতে ঢুকে তথ্য প্রমাণ নিয়ে যাওয়ার জন্য স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় ৩০৫ ধারা অনুযায়ী কোনও ব্যক্তির বাড়িতে চুরির অভিযোগ আনছে ইডি। শীর্ষ আদালতে ইডি আরও আবেদন জানিয়েছে, শেক্সপিয়ার সরণী থানা এবং ইলেক্ট্রনিক কমপ্লেক্স থানা সহ যে কোনও জায়গায় ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর সিবিআইকে ট্রান্সফার করা হোক।
ইডির বক্তব্য, তল্লাশি চলাকালীন প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ মনোজ ভার্মা, রাজীব কুমার, কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং ডেপুটি কমিশনার বাজেয়াপ্ত করেছেন। সেই ফুটেজ সিবিআইকে হস্তান্তর করার জন্য যাতে নির্দেশ দেওয়া হয়, সেই আবেদন জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তরফে। মুখ্যমন্ত্রী সহ শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের উপর এই মামলার যাবতীয় খরচ আরোপ করার আবেদন জানিয়েছে ইডি।
এই নিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার ইডি-র পদক্ষেপের প্রেক্ষিতে পাল্টা এক গুচ্ছ প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, “ইডি-কে এসব করতে ওপর থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাই ইডি বাধ্য হয়ে এসব লিখছে বা মামলা করছে। ইডি-কে তার আগে অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে হবে, কোন মামলার প্রেক্ষিতে, তারা I-PAC গিয়েছিল। যদি I-PAC ডিরেক্টর হিসাবেই প্রতীক জৈনের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে চার বছরে কোনও নোটিস কেন পাঠায়নি? ঠিক নির্বাচনের আগে কী হল, কে নির্দেশ দিল? I-PACএর আরও তিন জন ডিরেক্টর রয়েছেন, তাদের বাড়িতে যাওয়া হল না কেন?”