Hooghly: চার মাস আগে যমে-মানুষে টানাটানি চলেছিল…, সেই ছেলেকে যে এভাবে দেখতে হবে! – Bengali News | Hooghly boy hanged, recovered from an accident before 4 years
চন্দননগর: মাস চারেক আগে গলায় কয়েন আটকে মৃত্যু মুখ থেকে ফিরেছিল। আজ সেই কিশোরের মর্মান্তিক পরিণতি। গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় উদ্ধার কিশোরের দেহ। শোকে-কান্নায় ভেঙে পড়ল নাবালকের পরিবার।
হুগলির চন্দননগর ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁটাপুকুর এলাকার ঘটনা। ভাড়াবাড়িতে থাকেন মনোজ মুদি ও তাঁর দুই ছেলে মেয়ে। মনোজ ধনিয়াখালির একটি রেস্তোরাঁয় রান্নার কাজ করেন। তাঁর স্ত্রী সুমন সাউ, শ্বাশুড়ি পুতুল সাউ চন্দননগর মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে একটি কচুরির দোকান চালান।
সোমবার দুপুরে মা ও মেয়ে দুজনেই দোকানে ছিলেন। স্কুল ছুটি থাকায় সুমনের ছেলে দামোদর তার বোন সোহিনীকে নিয়ে বাড়িতে ছিল। দুপুরে খাওয়ার পর মাসির সঙ্গে দুজনে শুয়ে পড়ে। ঘুম থেকে উঠে দামোদরকে ঘরে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন মাসি সোনিয়া সাউ। পাশে থাকা একটি পরিত্যক্ত ঘরে গিয়ে তার দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে চন্দননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক জানিয়ে দেন মৃত্যু হয়েছে ওই কিশোরের। ময়নাতদন্ত করতে হবে। এই কথা শুনেই মৃতদেহ নিয়ে বাড়ি চলে যায় কিশোরের পরিবার। চন্দননগর হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে চন্দননগর থানার পুলিশ পৌঁছে যায় কাঁটাপুকুরে। চুঁচুড়া থানা থেকেও পুলিশের একটি দল সেখানে পৌঁছয়। মৃতদেহ নিয়ে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে যেতে বলে পুলিশ। সেখানেই কাল ময়নাতদন্ত হবে।
মৃত কিশোরের মা বাবা জানান, মাস চারেক আগে একবার ১০ টাকার কয়েন গিলে নিয়েছিল। তখন যমে মানুষে টানাটানি করে ছেলেকে বাঁচানো হয়। গতকাল রাতে ঘুমাচ্ছিল না ছেলে, মা সে কথা তার বাবাকেও জানান। মনোজ ছেলেকে বকাবকি করে ঘুমিয়ে পড়তে বলেন। এদিন সকাল থেকে সব স্বাভাবিক ছিল। মা-দিদিমা দোকানে চলে যাওয়ার পরই অঘটন ঘটে। দুপুরের পর দুঃসংবাদ পান তাঁরা। সুমন আরও জানান, ছেলে ছোট থেকেই চঞ্চল ছিল। বকাবকি করলে ওই ভাঙা ঘরে গিয়ে লুকিয়ে পড়ত।