Indian Army: ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে 'ভৈরব', ভয়ে কুঁকড়ে পাকিস্তান - Bengali News | Indian army creates a pool of one lakh drone operatives in special force bhairav - 24 Ghanta Bangla News
Home

Indian Army: ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে ‘ভৈরব’, ভয়ে কুঁকড়ে পাকিস্তান – Bengali News | Indian army creates a pool of one lakh drone operatives in special force bhairav

Spread the love

মরুশহর রাজস্থানের শুনশান রাস্তা। দিনে চামড়া পোড়ানো রোদ। রাতে হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডা। তার মধ্যেই দৌড়োচ্ছে ‘ভূমিপুত্র’রা। একদিন দুদিন নয়, দিনের পর দিন।গত পাঁচ মাস ধরে এখানেই চলছে ভৈরব বাহিনী-র বিশেষ প্রশিক্ষণ। পাকিস্তান সীমান্তের কাছে রাজস্থানের মরুভূমিতে কঠোর এই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সেনার সাদার্ন কমান্ডার কমান্ডিং অফিসার। ভৈরব বাহিনীর অধিকাংশ সদস্যই রাজস্থানের কারণ, তাঁরাই এই মরুভূমিকে, ভাষা, আবহাওয়া ও এলাকাকে সবচেয়ে ভাল চেনে। জয়পুরে আগামী ১৫ জানুয়ারি ‘আর্মি ডে প্যারেডে’ এই বাহিনীর শক্তি প্রদর্শিত হবে। তার আগে একবার ভৈরব ব্যাটালিয়নের প্রশিক্ষণে নজর রাখা যাক।

সেনার পদাতিক বাহিনী বা ইনফ্যান্ট্রি ও এলিট প্যারা স্পেশ্যাল ফোর্সের মধ্যে ব্রিজের কাজ করবে ভৈরব বাহিনী। তাঁদের হাতেকলমে শেখানো হয়েছে ড্রোন পরিচালনার খুঁটিনাটি। কীভাবে শত্রু ঘাঁটিতে আত্মঘাতী ড্রোন পাঠিয়ে হামলা করতে হবে। কীভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-কে কাজে লাগিয়ে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি চালাতে হবে? কীভাবে হবে I, S, ও R? চলছে তারই প্রশিক্ষণ। ইন্টেলিজেন্স, সার্ভেলিয়েন্স ও রিকন্স- সংক্ষেপে I, S, ও R। ছোট ছোট গ্ৰুপে ভাগ হয়ে অপারেশন চালাতে দক্ষ এই বাহিনী। শত্রুর গুলিতে আহত হলে নিজেরাই চিকিৎসায় পারদর্শী। শত্রুকে চমকে দিয়ে আগে হামলা চালানোই বাহিনীর মন্ত্র। সবরকম যুদ্ধের জন্য এখন প্রস্তুত, বলছেন বাহিনীর সদস্যরা।

কী থাকছে ভৈরব বাহিনীর অস্ত্র ভাণ্ডারে?

এই স্পেশ্যাল ফোর্সের সবচেয়ে বড় অস্ত্র- আত্মঘাতী বা কামিকাজে ড্রোন। একবার শত্রুর টার্গেটকে চিহ্নিত করে দিলে, যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নিখুঁত হামলা করে আসবে এই দিশি ড্রোন। এক আধটা নয়, দরকারে পঙ্গপাল বাহিনীর মতো ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন পাঠানো হবে। একে বলে সোয়ার্ম অ্যাটাক। একটা ড্রোন লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে আরও হাজার হাজার ড্রোন হামলা চালাবে। ‘অখণ্ড প্রহার’ মহড়ার সময় তার একটা ঝলক দেখিয়েছে সেনা। হামলা ছাড়াও নজরদারির জন্য এই বাহিনীর রয়েছে- FPV বা First Person View Drones। এছাড়াও রয়েছে AI চালিত automatic target recognition বা ATR ড্রোন। অপারেশন সিঁদুর-এর পর ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ারের জন্য সেনা বানিয়েছে electronic countermeasure ড্রোন বা ECM। শুধু ড্রোন-ই নয়। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের জন্য ভৈরব বাহিনী গা ঢাকা দিতে বা ক্যামোফ্লাজেও দক্ষ। তারও ট্রেনিং হয়েছে রাজস্থানেই। বাহিনীকে দেওয়া হয়েছে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রও। দেওয়া হয়েছে ৭.৬২ ক্যালিবারের মেশিন গান, .৩৩৮ ক্যালিবারের স্নাইপার রাইফেল। শত্রুর ট্যাঙ্ক ধ্বংসের জন্য ভৈরবের কাছে রয়েছে চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের ‘নাগ মার্ক ২’ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল।

শত্রুর চোখে এই স্পেশ্যাল ফোর্স — যেন রাজস্থানের বাঘ। রাজস্থানের নাসিরাবাদে ভূমিপুত্ররা দিনরাত এক করে কঠোর প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের হাতে দিশি ড্রোনের মরণভাণ্ডার। কী নেই? ‘নাগাস্ত্র ১’, ‘রুদ্রাস্ত্র’-র মতো সোজাভাবে উপরে উঠতে-নামতে পারে এমন ড্রোন। ‘ত্রিনেত্র’-র মতো খতরনাক ড্রোন, ‘কাল ভৈরবের’ মতো মোক্ষম মারণাস্ত্র রয়েছে এই সেনার ভাণ্ডারে। আর মুখে রয়েছে ‘জয় রাজারাম’ মন্ত্র। ভারতীয় সেনার লক্ষ্য, এক লাখ নয়, ভবিষ্যতে সেনার প্রত্যেক জওয়ানের জন্য একটি করে ড্রোন। এই প্রকল্পের পোশাকি নাম- ‘ঈগল ইন দ্য আর্ম’।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *