Venezulea Airstrike: মধ্যরাতে হামলা! সস্ত্রীক প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে গেল মার্কিন সেনা – Bengali News | Trump Claims U.S. Delta Force Detained Venezuela’s President After Explosions in Caracas
নয়াদিল্লি: পরপর বিস্ফোরণ। কেঁপে উঠল ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস। স্থানীয়রা বললেন, খুব কাছ থেকে কিছু বিমান উড়ে গিয়েছিল। তারপর এই বিস্ফোরণ। যা ঘিরে চরমে আতঙ্ক। শুক্রবার মধ্য়রাতে এই ঘটনা ঘটে। ঘণ্টাখানেক পরে ট্রাম্পের মুখে শোনা গেল বড় কথা।
নিজের সমাজমাধ্যমে ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট করে ট্রাম্প লেখেন, ‘ভেনেজুয়েলা এবং ওদের নেতার বিরুদ্ধে বৃহৎ পরিসরে একটি হামলা চালানো হয়েছে।’ পাশাপাশি, আমেরিকার ডেল্টা ফোর্স ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফোর্সকে আটক করে দেশছাড়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। একা ট্রাম্প নন, আমেরিকার সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের সামনেও মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী-কে আটক করার প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। তাঁরা নিশ্চিত ভাবে জানিয়েছে, ২০১৯ সালে যে ডেল্টা ফোর্সের হাতে মৃত্যু হয়েছিল ইসলামিক রাষ্ট্রের দাবি জানান সন্ত্রাসবাসী আবু বকর আল-বাগদাদীর, সেই ডেল্টা ফোর্সের হাতে এবার আটক ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ও তাঁর স্ত্রী।
ফলত ভেনেজুয়েলার অন্দরে মাদুরোর জীবন নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ইতিমধ্যেই প্রেসিডেন্টের জীবিত থাকার প্রমাণ চেয়েছেন ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। এদিন তিনি বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার সরকার প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডির জীবিত থাকা প্রমাণ চায়।’
কিন্তু আচমকা এই আক্রমণের কারণ কী? ওয়াকিবহাল মহল ট্রাম্পের সেনার এই হামলাকে আচমকা নয়, বরং পরিকল্পিত পদক্ষেপ হিসাবেই দেখছে। গত কয়েক মাস ধরে ভেনেজুয়েলাকে ঘিরতে ক্যারিবিয়ান সাগরে বিপুল সংখ্যক যুদ্ধজাহাজ এবং পরমাণু-ডুবোজাহাজ নামিয়েছে ট্রাম্পের সরকার। এমনকি, মাদুরোকে ‘অবৈধ শাসক’ বলেও অভিহিত করে, তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার সেই ভেনেজুয়েলাতেই হামলা চালালেন তিনি।
অবশ্য, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের নেপথ্য়ে অন্য চাহিদা দেখছেন একাংশের বিশেষজ্ঞরা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই মুহূর্তে বিশ্বের বৃহত্তম খনিজ তেলের ভান্ডার রয়েছে ভেনেজুয়েলায়। প্রতিদিন ১০ লক্ষ ব্য়ারেল তেল উৎপাদন করে এই দেশ। এছাড়াও রাশিয়া-চিনের সঙ্গে মাদুরোর ঘনিষ্ঠতাও কম নয়। একেবারে নিজ দুয়ারে এমন ‘বিপদ’ ট্রাম্প যেন আর বাড়তে দিতে চাইছিলেন না।