Sandeshkhali: সবিতা আর মোসলেম মিলে শাহজাহানের ইন্ধনে করেছে: ভোলার বড় ছেলে - Bengali News | Seikh Sahajahans witness facing accident in Sandeshkhali his elder brother give reaction - 24 Ghanta Bangla News
Home

Sandeshkhali: সবিতা আর মোসলেম মিলে শাহজাহানের ইন্ধনে করেছে: ভোলার বড় ছেলে – Bengali News | Seikh Sahajahans witness facing accident in Sandeshkhali his elder brother give reaction

Spread the love

ভোলানাথ ঘোষের বড় ছেলেImage Credit: Tv9 Bangla

সন্দেশখালি: শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে বসিরহাট আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথেই দুর্ঘটনার কবলে সাক্ষী ভোলানাথ ঘোষ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর ছোট ছেলের সত্যজিৎ ঘোষের। এই ঘটনার পরই রাতারাতি খুনের অভিযোগ তুলেছেন ভোলার বড় ছেলে বিশ্বজিৎ ঘোষ। তিনি পরিষ্কার বলেছেন, জেল থেকেই শাহজাহান যোগাযোগ রেখেছেন ন্যাজাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সবিতা রায় ও মসলিম শেখের সঙ্গে। তাঁরাই মিলে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এরা এখন সন্দেশখালিতে র‌্যাকেট চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর। যদিও, সম্পূর্ণটাই মিথ্যে বলে দাবি করেছেন মসলিম শেখ।

ভোলানাথের বড় ছেলে কী বলেছেন?

বিশ্বজিৎ বলেন, “আমি যতটা শুনেছি ড্রাইভারের নাম আলিম। গাড়িটা ছিল লাউখালির। ওই লরিটা আগে থেকেই গাড়িটাকে ফলো করছিল। তারপর সামনে থেকে দু’বার ধাক্কা মেরেছে। তিনবারের বার ধাক্কা মেরে জলে ফেলে দেয়।” এরপরই তিনি বলেন, “ওইখানে একটাই রাজ চলে শাহজাহান শেখের। তবে এখন ন্যাজাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সবিতা রায় ও মোসলেম শেখ দাপট চালাচ্ছেন। এরা শাহজাহানের র‌্যাকেট চালাচ্ছে। এটা একশো শতাংশ খুন। শাহজাহান শেখের ইন্ধনে সবিতা আর মোসলেম করিয়েছে।”এরপর তাঁর সংযোজন, শাহজাহান জেলে বসেই ফোন থেকে নিজের বৌ-এর সঙ্গ গল্প করে। এর আগেও অভিযোগ হয়েছে।

যদিও, মোসলেম টিভি ৯ বাংলাকে জানিয়েছেন, এটা পরিষ্কার মিথ্যা কথা। এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। আর সবিতা বলেন, “ওদের কথা ভিত্তিহীন। দুর্ঘটনা নিশ্চয় বেদনাদায়ক। পুলিশ তদন্ত করুক। আর আমি নিজেই ওদের বাড়িতে আজ দুবার গেছি।” গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার সন্দেশখালির সরবেড়িয়া এলাকার মণ্ডল পরিবারও অভিযোগ করেছিলেন মোসলেম শেখের বিরুদ্ধে। যে জায়গায় শাহজাহানের মার্কেট ছিল সেই জায়গার পুরোটাই মণ্ডল পরিবারের রায় দেয় কোর্ট। এরপরই এই মোসলেমের অনুগামীরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাঁদের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *