Malda School: স্কুল না হানাবাড়ি? হাল ফিরবে কবে? অপেক্ষায় হরিশচন্দ্রপুরের শতাধিক পড়ুয়া – Bengali News | Concerns are growing over the poor condition of Malda schools, questions are being raised about when the situation will change
উদ্বেগের আবহ অভিভাবক থেকে শিক্ষিকাদের মধ্যে Image Credit: TV 9 Bangla
মালদহ: চরম দুরাবস্থা স্কুলের। নেই গেট, নেই রান্না ঘর, শৌচাগার। শৌচকর্ম সারতে ঝোপের ধারে যেতে হয় শিক্ষিকা থেকে পড়ুয়াদের। পানীয় জলের অভাবও তীব্র। বেহাল সেই স্কুলেই নিত্য বসে মদের আসর। আড্ডা জমায় সমাজ বিরোধীরা। নিরাপত্তাহীনতাকে সঙ্গী করে স্কুলে আসছেন খোদ প্রধান শিক্ষিকা। অবস্থা যা তা দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন হানা বাড়ির থেকে অবস্থা খারাপ হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেষ্টপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের। অভিযোগ থনা থেকে বিডিও অফিস, শিক্ষা দফতর সর্বত্র ঘুরেও কোনও লাভ হয়নি।
স্কুলটি গ্রাম ছাড়িয়ে ৩০০ মিটার দূরে নির্জন এলাকায়। এদিকে স্কুলে যাওয়ার জন্য নেই ঠিকঠাক কোনও পাকা রাস্তাও। দুই দিকে জমি, যেতে হয় মাঝের সরু আলপথ দিয়েই। ওই আলপথ দিয়েই কোনওমতে আনা হয় মিড ডে মিলের প্রয়োজনীয় সামগ্রী। কবে পাকা কোনও রান্নাঘরও নেই। একটা নলকূপ রয়েছে, কিন্তু সেখান থেকে বের হয় বের হয় আয়রনযুক্ত নোংরা জল। সেই জল দিয়েই বাধ্য হয়ে করতে হয় মিড ডে মিলের রান্না।
নেই বিদ্যুৎও। গোটা স্কুল পাঁচিলে ঘেরা থাকলেও নেই কোনও গেট। তবে গেট যে ছিল না এমনটা নয়। ছিল, সেটাও চুরি হয়ে গিয়েছে। স্কুলে ঢুকলেই দেখা যাবে চুতুর্দিকে ছড়িয়ে রয়েছে মদের বোতল। এখানে যে রোজকার সমাজবিরোধীদের আড্ডা বসে তা ভালই জানেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্কুলের পথচলা শুরু ২০০৩ সালে। প্রাক প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত খাতায়-কলমে পড়ুয়ার সংখ্যা ১০৪। কিন্তু দুঃসময়েও এখনও স্কুলে আসে ২০ থেকে ২৫ জন। কখনও কখনও সংখ্যাটা আরও কমে যায়। রয়েছেন ৪ জন শিক্ষিকা। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সাকিলা বানু বলছেন, স্কুলের সমস্যা নিয়ে বহুবার তিনি ব্লক প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, শিক্ষা দফতর, পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। কিন্তু দিনের শেষে হতে হয়েছে হতাশ। কমেনি সমাজবিরোধীদের দাপাদাপি। ফেরেনি স্কুলের হাল। স্থানীয় বাসিন্দা থেকে স্কুলের শিক্ষিকা সকলেই একযোগে বলছেন এই দুরাবস্থা দেখার পরে এখন দেখার কবে ফেরে স্কুলের হাল।