SIR: ৯ তারিখ বেরোবে খসড়া তালিকা, কাদের নাম থাকবে? কাদের ডাকা হবে হিয়ারিংয়ে? - Bengali News | The draft list will be released on the 9th whose names will be there who will be called for the hearing - 24 Ghanta Bangla News
Home

SIR: ৯ তারিখ বেরোবে খসড়া তালিকা, কাদের নাম থাকবে? কাদের ডাকা হবে হিয়ারিংয়ে? – Bengali News | The draft list will be released on the 9th whose names will be there who will be called for the hearing

Spread the love

কলকাতা: ৯ ডিসেম্বর ভোটার লিস্টের খসড়া তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। প্রশ্ন হচ্ছে, ওই তালিকায় কাদের নাম থাকবে আর কাদের নাম বাদ পড়বে?  কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁরা ফর্ম জমা দিয়েছেন, সবার নামই থাকবে খসড়া তালিকায়। কমিশনের ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট বুথে তালিকা বেরোবে। মৃত বা অন্য কারণে বাদ পড়াদের তালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ করা হবে।

কাদের নাম বাদ যাচ্ছে?

সাধারণত প্রত্যেক বাড়িতে গিয়ে ফর্ম ফিল আপ করেছেন বিএলওরা। সেক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছে, মৃত ভোটারদেরও নামে ফর্ম ফিলআপ হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেই তথ্য জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। মৃত ভোটারদের জন্য আলাদা তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। প্রত্যেক বুথের বাইরে ভোটারের সংখ্যা টাঙিয়ে দেওয়া হবে। সাধারণত এক একটা বুথে ১২০০ বেশি ভোটার থাকার কথা নয়।

পাশাপাশি এসডিও ও বিডিও অফিসের বাইরেও এই তালিকা টাঙানো থাকবে। পাশাপাশি কমিশনের ওয়েবসাইটেও নাম থাকবে।

কাদের হিয়ারিং হবে?

খসড়া তালিকায় নাম থাকা মানেই যে তাঁদের হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে না, তেমনটা নয়। কারণ তারপরই হবে আসল ঝাড়াই বাছাইয়ের কাজ। ৯ ডিসেম্বরের পর ঝাড়াই বাছাইয়ের কাজ শুরু করবে কমিশন। সে সময়ে হিয়ারিংয়ের নোটিস যাবে, নোটিস পৌঁছে দেবেন বিএলও-রা। ২০০২ সালের তালিকায় যাঁদের নাম নেই, তাঁরা যে তথ্য জমা দিচ্ছেন, ইআরও-এর মনে হলে তাঁদের ডেকে পাঠাতেই পারে। তখন ওই ১১টি নথির মধ্যে ১টি নথি দেখাতে হবে। এ ছাড়া ২০০২-এর তালিকায় যাঁদের নিজেদের নাম নেই ও পরিবারের কারও নাম নেই, তাদের হিয়ারিংয়ে ডেকে পাঠাবে কমিশন। সেখানে বৈধ ডকুমেন্ট হিসাবে আধার কার্ড ছাড়া বাকি ১১টি নথির মধ্যে ১টি বৈধ নথি দেখাতে পারলেই এসআইআরের ফাইনাল লিস্টে নাম উঠে যাবে ওই ব্যক্তির।

প্রসঙ্গত, শুক্রবারই  নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে,  ৪ ডিসেম্বরের আগেই ডিজিটাইজেশনের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। আবারও স্পষ্ট করে দিল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার জেলা শাসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি দল। CEC জ্ঞানেশ ভারতী প্রত্যেক জেলাশাসককে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বিএলও-দের বাড়তি চাপ থাকলেও, আগে কাজ শেষ না হলে ডিজিটাইজেশনের পর অন্যান্য কাজ শেষ করতে সমস্যা হবে। বৈঠকে ২৫ নভেম্বর ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে কমিশন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *