Indian Railways: রেলের বিরাট পদক্ষেপ, এক ধাক্কায় কমে গেল বাড়ি তৈরির খরচ! – Bengali News | Indian Railways Slashes cement transportation costs to boost affordable housing for the middle and poor families
আপনার বাড়ি তৈরির খরচ কমাবে রেল!Image Credit: DrSKN08/Moment/Getty Images
ভারতীয় রেলের এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ, আর তাতেই এবার কমতে চলেছে বাড়ি তৈরির খরচ। ফলে, মধ্যবিত্তের স্বপ্নের বাড়ি তৈরি হবে এবার আরও সস্তা। অনেক কম খরচেই এবার ‘নিজের ঘর’ বানিয়ে ফেলা যাবে। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ১৮ নভেম্বর, মঙ্গলবার একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করলেন। দেশের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির বাড়ি তৈরির খরচ কমাতেই এই বিরাট সংস্কার করল রেল।
একটি ইভেন্টে এসে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী জানান রেলওয়ে এবার সিমেন্ট পরিবহণে গোটা দেশের জন্য একটি অভিন্ন রেট চালু করছে। আর সেই রেট চালু হলে একাধাক্কায় অনেকটা কমে যাবে সিমেন্ট পরিবহনের খরচ।
খরচ কমে হবে ৯০ পয়সা!
জানা গিয়েছে নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী সারা দেশে বাল্ক সিমেন্ট পরিবহণের জন্য প্রতি জিটিকেএমে ৯০ পয়সা করে হার ধার্য করা হয়েছে। যে হার গোটা দেশেই লাগু হবে। জিটিকেএম অর্থাৎ গ্রস টন-কিলোমিটার। ১ টন ওজন ১ কিলোমিটার টেনে নিয়ে যেতে যা খরচ সেটাকেই জিটিকেএম বলা হয়। এই ক্ষেত্রে ট্রেনের কোচ ও ইঞ্জিনের ওজনও ধরা হয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, এর ফলে সিমেন্ট পরিবহণের লজিস্টিক খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
মধ্যবিত্তের স্বপ্ন পূরণ
অশ্বিনী বৈষ্ণবের কথায়, “মধ্যবিত্ত পরিবারের নিজের বাড়ি তৈরির স্বপ্নে সিমেন্টের দাম একটি বড় ফ্যাক্টর। আর এবার সেই খরচ কমাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সংস্কারের পথ ধরেই রেলওয়ে এই পদক্ষেপ নিল।” নতুন নীতিতে, প্রাচীন কাল থেকে চলে আসা জটিল ‘স্ল্যাব-ভিত্তিক’ চার্জিং ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। এর বদলে সরল, অভিন্ন রেট সিমেন্ট শিল্পের ট্রান্সপোর্ট খরচ অনেকটা স্পষ্ট করে দেবে।
বিশেষ ট্যাঙ্ক কন্টেনারের সুবিধা
বাল্ক সিমেন্ট পরিবহণের জন্য রেলওয়ে বিশেষ ট্যাঙ্ক কন্টেনার তৈরি করেছে। রেলমন্ত্রী নিশ্চিত করেন, এই কন্টেনার সরাসরি সিমেন্ট ফ্যাক্টরি থেকে ভর্তি করে দেশের যে কোনও প্রান্তে, যেখানে সিমেন্টের চাহিদা রয়েছে, সেখানে পৌঁছে দেওয়া যাবে। এতে পরিবহনের পরিকল্পনা আরও ভাল হবে ও সিমেন্ট পরিবহনের খরচ কমে যাবে। নতুন এই অভিন্ন রেট কাঠামো ও নতুন কন্টেনার ব্যবস্থা সিমেন্ট পরিবহণকে আরও দৃঢ় করবে। যা সরাসরি গ্রাহক অর্থাৎ মধ্যবিত্ত পরিবারের পকেটে স্বস্তি আনবে বলেই মনে করা হচ্ছে।