Abhishek Banerjee: ‘ফরিদাবাদে বিস্ফোরক উদ্ধারের পরও অসতর্ক কেন?’, দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে প্রশ্ন তুললেন অভিষেক, অমিত শাহ পদত্যাগের দাবি তৃণমূলের – Bengali News | ‘Why are you careless even after recovering explosives in Faridabad?’, Abhishek Banerjee raises questions on Delhi blasts, Trinamool demands Amit Shah’s resignation
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় Image Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: দিল্লিতে বিস্ফোরণকাণ্ড, এবার দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে যে ক্রটি ধরা পড়ছে, তার দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশের। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছেন অভিষেক। নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন তিনি। প্রয়োজনে সিট গঠন করে আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবিও করেছেন তিনি।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইস্তফার দাবি তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
এর আগেই পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের সময়েই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককেই দায়ী করেছিলেন অভিষেক। কেন ভারত এখনও পিওকে দখল করে নিচ্ছে না, সে প্রশ্নও তুলেছিলেন। পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের তিন মাস পর একটি পোস্ট করেই দেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক বিষয় নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন তুলেছিলেন অভিষেক। এবারের ঘটনার আবারও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। সকালে ফরিদাবাদ থেকে এত বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারের পরও কেন দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এত ঢিলেঢালা নিরাপত্তা, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
সাংবাদিক বৈঠক করে মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, “কেন বা আমাদের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার এইভাবে পতন ঘটছে? দেশের সুরক্ষা কেন প্রশ্নের মুখে, এর জবাব কে দেবে? দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত আর প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছেন ভুটান!” তাঁর প্রশ্ন, “দেশ আস্থা-আশ্বাস পাবে কোথা থেকে, যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁরা দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছেন। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইস্তফা চাই।”
যদিও এ বিষয়ে বিজেপি নেতা দজগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে ছিলেন? কোথাও জঙ্গি হামলা হলে, তদন্ত, উগ্রপন্থীদের গ্রেফতার করা, যথাযথ তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই প্রশাসনের কাজ। পহেলগাঁও হত্যার পর অপারেশন সিঁদুর হয়েছে। নিশ্চিন্তে থাকুন, এনআইএ, দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেল যৌথ তদন্ত চলছে।”
উল্লেখ্য, এই ঘটনার পরই ভুটান থেকেই প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, কাউকেই রেয়াত করা হবে না। তিনি বলেন, ‘আমি প্রতি মুহূর্তে ঘটনার আপডেট নিচ্ছি। তদন্তকারীরা এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে থাকা মাথাদের ঠিক খুঁজে বের করবে। পাশাপাশি, যারা এর সঙ্গে জড়িত, তারাও যথাযথ শাস্তি পাবে।’