Calcutta High Court: সিএএ আবেদনকারীরা ভোট দিতে পারবেন? হাইকোর্টে উঠল বড় প্রশ্ন – Bengali News | What will be the future of those who have applied for CAA in the elections? Petition in high court to keep refugees as voters
শরণার্থীদের ভোটার রাখার আবেদনImage Credit: Tv9 Bangla
কলকাতা: এসআইআর-এর আবহে শরণার্থীদের ভোটের ভবিষ্যত কী? শরণার্থীদের ভোটার রাখতে মামলা কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। ২০১৯-এ পাশ হয় সিএএ (CAA)। তবে এখনও নগরিকত্ব পাননি অনেক শরণার্থীই। অবিলম্বে তাই সিএএ জট কাটাতে আদালতের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে আত্মদীপ নামে একটি সংস্থা। কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের নামে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে এই মামলা হয়েছে কোর্টে। অন্তত, সিএএ আবেদনের রসিদ এসআইআর-এ যাতে গ্রহণ করা হয় তার আর্জি জানানো হয়েছে।
এই সংস্থার দাবি, সিএএ-তে আবেদনের দু’মাসের মধ্যেই একজন ব্যক্তি জেনে যাবেন তিনি আদৌ দেশের নাগরিকত্ব পেলেন নাকি পেলেন না। অভিযোগ, কিন্তু দুমাস তো কোন ছাড়, দেখা যাচ্ছে এক-একজন আবেদনকারীর কারও-কারও ছ’মাস কেটেছে কারও আবার একমাস কেটে গিয়েছে কিন্তু না পেয়েছেন নাগরিকত্ব না বাতিল হয়েছে তাঁর আবেদন। এই অবস্থায় যখন রাজ্যে এসআইআর হচ্ছে, আর যাঁদের নাম ২০০২ সালের ভোটেরের তালিকায় নেই তাঁরা কী করবেন? তাহলে তাঁদের নাম বাদ যেতে পারে যদি না তাঁরা নাগরিকত্ব পান। সেই কারণেই এই মামলা। হাইকোর্টে মামলাকারীর দাবি, অন্তত সিএএ আবেদনের রসিদ যেন এসআইআর-এর ক্ষেত্রে গৃহীত হয়। নতুবা সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হতে পারে দেশে।
মামলাকারী আইনজীবী প্রসূন মৈত্র টিভি ৯ বাংলাকে জানিয়েছেন, “আমার কাছে ডকুমেন্ট আছে যেখানে ছমাস এমনকী এগারো মাস কেটে যাওয়ার পরও তাঁদের আবেদনের সুরাহা হয়নি। আমরা যখন সিদ্ধান্ত নিচ্ছিল মুসলমান বাদ দিয়ে প্রতিবেশী দেশের হিন্দু, খ্রীষ্টান, শিখ,জৈন এদের সকলকে নাগরিকত্ব দেব তাহলে মান্যতা দিতে পারছি না কেন?”
বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “যাঁরা সিএএ-তে আবেদন করেছেন তাঁরা বাংলাদেশি শরণার্থী। তাঁদের বর্তমান আইন অনুযায়ী একবার চলে আসার পর ফেরতও পাঠাতে পারবেন না। তাঁদের তো আজ না হয় কাল নাগরিকত্ব দিতে হবে। আর নাগরিকত্ব দিলে ভোটাধিকারও দিতে হবে। সেই কারণে, তাঁদের যাতে ভোটাধিকার খর্ব না হয় সেই কারণে ভারতীয় জনতা পার্টি মনে বিষয়টিকে সহানুভূতির সঙ্গে দখা হবে।” তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “এই যে বলছে, সিএএ-তে আবেদন করলেই ভোটার লিস্টে নাম উঠবে এটা তো মিথ্যা কথা। হাইকোর্ট তো এমন বলেনি। সিএএ-তে আবেদন করা মানেই স্বীকার করা যে ওই ব্যক্তি ভারতের নাগরিক নয়। সঙ্গে সঙ্গে আপানার আধার সক্রিয় থাকবে না। আর আধার না থাকলে ব্যাঙ্কের লেনদেন করতে পারবে না। তথন তো বাংলাদেশ পাঠাতে পারবে না। তাই ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাবে।”