Govt Hospital: লেবার রুমের পাশে মাইক বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন! বিতর্কে তৃণমূল – Bengali News | Controversy over miking near govt hospital for TMC programme
চলছে তৃণমূলের অনুষ্ঠানImage Credit: TV9 Bangla
ধূপগুড়ি: তারস্বরে বক্স বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন, তাও আবার ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে! অনুষ্ঠান ঘিরে বিতর্কে তৃণমূল। অভিযোগ, শুভেচ্ছা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানটির মঞ্চ হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডের গা ঘেঁষে করা হয়। আর হাসপাতাল চত্বরেই উচ্চৈস্বরে বাজানো হয় মাইক। ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের দাবি, অনুষ্ঠানের জন্য নেওয়া হয়নি কোনও লিখিত অনুমতি। তাই এই বিষয়ে তিনি কিছু বলবেন না।
সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোদ বিধায়ক। তৃণমূল বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন একাধিক নেতা। সেই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করেই বিতর্কের সূত্রপাত হয়।
উল্লেখ্য, ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালের ছয়তলা ভবন তৈরির জন্য প্রায় ২৮ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। গত ১৯ মে ভার্চুয়ালি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহকুমা হাসপাতালের ছয়তলা ভবনের কাজের শিলান্যাস করেন। সেই কাজ শুরু হওয়ার খুশিতেই এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করে একটি অনুষ্ঠান করা হয়। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায়। তৃণমূলের আইএনটিটিইউসি ব্লক সভাপতি আলম রহমান, তৃণমূল গ্রামীণ ব্লক সভাপতি মলয় রায়, ধূপগুড়ি টাউন ব্লক তৃণমূল কোর কমিটির সদস্য অনিতা সিংহ রায়, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের টাউন ব্লক সভাপতি শুভ দে সরকার সহ অন্যান্য নেতৃত্বও উপস্থিত ছিল সেখানে।
বিরোধী দলের অভিযোগ, হাসপাতালের সংবেদনশীল ওয়ার্ডের পাশে উচ্চস্বরে মাইক বাজানো অনুচিত। ধূপগুড়ি ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অঙ্কুর চক্রবর্তী এই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, “হাসপাতাল চত্বরে অনুষ্ঠান করার বিষয়ে আমার কাছে কোনও লিখিত অনুমতি নেওয়া হয়নি। মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছিল যে একটি অনুষ্ঠান করা হবে। তবে মাইক বাজানোর বিষয়টি আমার জানা নেই। হাসপাতালের বাইরে মাইক বাজালেই আমরা বারণ করে থাকি, হাসপাতাল চত্বরে মাইক বাজিয়ে অনুষ্ঠান কোনওভাবেই ঠিক নয়। এই বিষয়ে আমি আর কোনও মন্তব্য করতে চাই না।”
তৃণমূল বিধায়ক নির্মল চন্দ্র রায় বলেন, “কোনও উচ্চস্বরে মাইক বাজানো হয়নি। ধূপগুড়ি নাগরিক সমাজ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। আর হাসপাতাল চত্বরে মাইক বাজানো যায় না, এ বিষয়টি আমার জানা ছিল না। মহকুমা হাসপাতালে ছয়তলা ভবন তৈরি হবে বলেই তার ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান করা হয়েছে।”