PM Modi: দেশের একতা তুলে ধরাই লক্ষ্য, ২০১০ সালে স্ট্য়াচু অব ইউনিটির কথা ভেবেছিলেন মোদী - Bengali News | Narendra Modi wanted to honour Sardar Vallabhbhai Patel by building the world's tallest statue in 2010 - 24 Ghanta Bangla News
Home

PM Modi: দেশের একতা তুলে ধরাই লক্ষ্য, ২০১০ সালে স্ট্য়াচু অব ইউনিটির কথা ভেবেছিলেন মোদী – Bengali News | Narendra Modi wanted to honour Sardar Vallabhbhai Patel by building the world’s tallest statue in 2010

Spread the love

নরেন্দ্র মোদী (ফাইল ফোটো)Image Credit: X handle

নয়াদিল্লি: তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী। ভারতের প্রথম কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই সর্দার বল্লভভাই পটেলের মূর্তি তৈরি করা হয়েছে গুজরাটের কেভাডিয়ায়। স্ট্যাচু অব ইউনিটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মূর্তি। ২০১৮ সালের ৩১ অক্টোবর স্ট্যাচু অব ইউনিটির উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু এই মূর্তির ভাবনাও তাঁর। ২০১০ সালে স্ট্যাচু অব ইউনিটির কথা ভাবেন মোদী। তখন অবশ্য তিনি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী। আজ সর্দার বল্লভভাই পটেলের ১৫০তম জন্মজয়ন্তীতে স্মৃতির সরণি বেয়ে স্ট্যাচু অব ইউনিটির ভাবনার কথা তুলে ধরলেন মোদী।

কেন সর্দার বল্লভভাই পটেলের মূর্তি তৈরি করার কথা ভেবেছিলেন মোদী?

২০১০ সালের অক্টোবর। সেইসময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেশকে একসূত্রে গাঁথতে সর্দার বল্লভভাই পটেলের মূর্তি তৈরির সিদ্ধান্ত নেন মোদী। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মূর্তি বানিয়ে পটেলকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাতে চান। তবে শুধু মূর্তির উচ্চতা মোদীর ভাবনা ছিল না। কঠিন সময়ে দেশকে এক সূত্রে বাঁধতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে সর্দার পটেল। তাঁর সেই ভূমিকার কথা মাথায় রেখে দেশের একতা উদযাপনের জন্য এই মূর্তি তৈরির সিদ্ধান্ত নেন মোদী। সেইসময় মোদী বলেন, “অখণ্ড ভারত নির্মাণে বড় ভূমিকা রয়েছে সর্দার বল্লভভাই পটেলের।” তাঁর কাছে স্ট্যাচু অব ইউনিটি শুধুমাত্র স্মৃতিস্তম্ভ নয়। এটা ভারতের একতার জীবন্ত প্রতীক।

ভারতের লৌহমানব হিসেবে পরিচিত সর্দার বল্লভভাই পটেল। স্বাধীনতা সংগ্রামী পটেল ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত দেশের উপপ্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৫০ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রয়াত হন তিনি। আজ তাঁর ১৫০তম জন্মজয়ন্তীতে স্ট্যাচু অব ইউনিটিতে গিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান মোদী। সেখান থেকে কংগ্রেসকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “যে সকল প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন ওদের মানসিকতা, ভাবধারার বিরোধী ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আসরে নেমেছিল কংগ্রেস। এরা বাবাসাহেব অম্বেদকর, বল্লভভাই পটেল, এমনকি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে রেহাই দেয়নি। তাঁদের সম্মান করেনি। মানুষ জানে ওঁদের সঙ্গে কংগ্রেস কী আচরণ করেছে।”


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *