CBI: টাকা দিলেই কি মিলত চাকরি? নাকি অন্য ‘খেলা’ হত? মানিক-বিভাসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক CBI – Bengali News | Bibhas Adhikari and Manik Bhattacharya took crores of rupees from job seekers, says CBI in their chargesheet in Primary recruitment scam case
চার্জশিটে কী বলেছে সিবিআই?Image Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির চার্জশিটে বিস্ফোরক সিবিআই। শুধু টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়া নয়, অনেক চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে টাকা নিয়েও চাকরি দেওয়া হয়নি। ওইসব চাকরিপ্রার্থীদের ভুয়ো ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছিল। চার্জশিটে তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য ও প্রাক্তন তৃণমূল নেতা বিভাস অধিকারীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা চার্জশিটে জানিয়েছে, মানিক ভট্টাচার্যর হয়ে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা তুলতেন বিভাস অধিকারী। কোটি কোটি টাকা তোলার অভিযোগ করা হয়েছে।
সম্প্রতি ব্যাঙ্কশাল আদালতে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা তোলার জন্য রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে ছিল বিভাসের এজেন্ট। সেই এজেন্টরাই বিভাসের হয়ে টাকা তুলতেন। বিভাসের হাত হয়ে সেই টাকা যেত মানিক ভট্টাচার্যের কাছে। চার্জশিটে নাম রয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সচিব রত্না চক্রবর্তীর। চার্জশিটে সিবিআই উল্লেখ করেছে, মানিক ভট্টাচার্যের নির্দেশ মতো কাজ করতেন রত্না।
মানিক ভট্টাচার্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি। বিভাস বীরভূমের নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি। মানিক পর্ষদের সভাপতি থাকাকালীন পর্ষদের সচিব ছিলেন রত্না। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতিতে এই তিনজন ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে সিবিআইয়ের অভিযোগ।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতারও করা হয়েছিল মানিক ভট্টাচার্যকে। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন। আবার প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি-সিবিআইয়ের ডাকে বেশ কয়েকবার হাজিরা দিয়েছেন বিভাস। উত্তর প্রদেশের নয়ডায় ভুয়ো থানা খুলে সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। তারপর তাঁর একের পর এক ‘কীর্তি’ সামনে আসে। এবার CBI চার্জশিটে উল্লেখ করল, বিভাস-মানিক যেমন টাকা নিয়ে চাকরি দিয়েছে। তেমনই টাকা নিয়েও অনেক চাকরিপ্রার্থীকে চাকরি দেয়নি। ওইসব চাকরিপ্রার্থীদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য ভুয়ো ইন্টারভিউয়েরও ব্যবস্থা করেছিলেন।