Punjab: পুত্রবধূর সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক? ছেলের মৃত্যু ঘিরে রহস্য ঘনাতেই মুখ খুললেন প্রাক্তন DGP – Bengali News | Punjab former DGP Mohammad Mustafa first reaction after son Aqeel Akhtar death
কী বলছেন পঞ্জাবের প্রাক্তন ডিজিপি?Image Credit: TV9 Bharatvarsh
চণ্ডীগড়: পুত্রকে খুনের অভিযোগ উঠছে তাঁর বিরুদ্ধে। মৃত্যুর আগে পুত্রের এক ভিডিয়ো ঘিরে শোরগোল পড়েছে। ওই ভিডিয়োতে পুত্রবধূর সঙ্গে তাঁর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ করেন ছেলে। আর ওই ভিডিয়ো সামনে আসার পর তদন্তে নেমেছে পুলিশ। এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন পঞ্জাবের প্রাক্তন ডিজিপি মহম্মদ মুস্তাফা। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করলেন। তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলিকে মিথ্যা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিলেন। উল্টে বললেন, তাঁর পুত্র ড্রাগ আসক্ত ছিলেন।
গত ১৬ অক্টোবর পঞ্চকুল্লার বাড়ি থেকে মহম্মদ মুস্তাফার ছেলে আকিল আখতারকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল। পরিবারের লোকেরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু, বাঁচানো যায়নি বছর পঁয়ত্রিশের আকিলকে। আকিলের মা পঞ্জাবের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেত্রী রাজিয়া সুলতানা। আকিলের মৃত্যুর পর একটি ভিডিয়ো সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে যায়। ওই ভিডিয়োতে আকিল অভিযোগ করেন, তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বাবার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। পরিবারের লোকজন সব জেনেও চুপ থেকেছেন। এরপরই শামসুদ্দিন চৌধুরী নামে একজন প্রাক্তন ডিজিপি ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর মুখ খুললেন প্রাক্তন ডিজিপি মহম্মদ মুস্তাফা। তিনি বলেন, “আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। মামলা দায়েরকারী ব্যক্তি শামসুদ্দিন চৌধুরীকে আমি চিনিও না।” তিনি আরও বলেন, শামসুদ্দিনের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার জালিয়াতির মামলা রয়েছে। ওই ব্যক্তিই তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করছেন।
প্রাক্তন ডিজিপি মহম্মদ মুস্তাফা আরও বলেন, “শামসুদ্দিন নিজেকে আমার আত্মীয় বলে দাবি করছেন। কিন্তু তিনি আমার আত্মীয় বা পরিচিত কেউ নন। তিনি আমার বাড়ি থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে থাকেন। এবং কেবল একটি মামলার জন্য আমার সঙ্গে দেখা করেছেন। এখন, রাজনৈতিক স্বার্থে মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করেছেন।”
প্রাক্তন ডিজিপি জানান, তিনি এর বিরুদ্ধে লড়াই করবেন। পুলিশি তদন্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সত্য খুব তাড়াতাড়ি সামনে আসবে। তাঁর ছেলে ড্রাগ আসক্ত ছিলেন বলে জানান মহম্মদ মুস্তাফা। বলেন, ১৮ বছর ধরে আকিলের চিকিৎসা চলছিল।