Banke Bihari Temple: ১৯৭১-এর পর প্রথমবার! বাঁকে বিহারী মন্দিরের গোপন ঘর খুলতেই বেরিয়ে এল… – Bengali News | Banke Bihari temple treasure room opened after 54 years, what found inside
নয়া দিল্লি: মথুরার সঙ্গে জড়িয়ে আছে শ্রীকৃষ্ণের মাহাত্ম্য। মথুরার বাঁকে বিহারী মন্দিরে গেলে অনেক ভক্তই আবেগে ভাসেন। এই মন্দিরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নানা গল্পকথা। দীর্ঘদিন পর খোলা হল সেই মন্দিরের তোষাখানা। বেরিয়ে এল সোনা, রূপো।
গত রবিবার বাঁকে বিহারী মন্দিরের ওই তোষাখানা খুলে দেওয়া হয়। ৫৪ বছর পর প্রথমবার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই ধনতেরসের দিন খোলা হয়েছে ওই ঘর। সোনা, রূপো ছাড়াও অনেক মূল্যবাল পাথরও বের করা হয়েছে ওই ঘর থেকে। সোনার বার পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্দিরের পুরোহিত।
পুরোহিত দীনেশ গোস্বামী জানিয়েছেন, একটি সোনা ও তিনটি রূপোর বার পাওয়া গিয়েছে, যা ছিল আবীরে মাখা। তোষাখানার ভিতরে থাকা একটি লম্বা বাক্স থেকে সেগুলি বের করা হয়। লাল ও সবুজ রঙের মূল্যবান পাথরও পাওয়া গিয়েছে।
১৯৭১ সালে ওই ঘর বন্ধ করা হয়। সম্প্রতি সেই ঘর খোলার সিদ্ধান্ত নেয় মন্দির কর্তৃপক্ষ। মথুরা সদরের ডিএসপি সন্দীপ সিং জানিয়েছেন, পুরো ঘটনায় ভিডিয়োগ্রাফি করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা ও পুলিশ তোষাখানা খোলার সময় উপস্থিত ছিল।
এডিএম পঙ্কজ কুমার ভার্মা জানিয়েছেন, হলুদ ও সাদা ধাতু পাওয়া গিয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর ওই সব সম্পদের বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এগুলি মাটির তলায় বা গোপন ঘরে কীভাবে সংরক্ষণ করা হবে, তা ঠিক করা হবে।
গত বছর প্রায় ৪৬ বছর পর পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের দরজা খোলা হয়েছিল। ১৯৭৮ সালে শেষবার জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের দরজা খোলা হয়েছিল। সেই বছরই সম্পদের খতিয়ান নেওয়া হয়। সেই সময় ছিল ১২৮ কেজি সোনা এবং ২২১ কেজি রুপোর গয়না। সোনার গয়নাগুলির প্রতিটিতেই খচিত ছিল বহুমূল্য রত্ন।