Fake Passport: প্রায় ২ কোটির উপরে লেনদেনের হদিস, আসলে কতজন পাকিস্তানির হাতে ভারতীয় পাসপোর্ট? - Bengali News | Transactions worth over 2 crore taka, how many Pakistanis actually have Indian passports - 24 Ghanta Bangla News
Home

Fake Passport: প্রায় ২ কোটির উপরে লেনদেনের হদিস, আসলে কতজন পাকিস্তানির হাতে ভারতীয় পাসপোর্ট? – Bengali News | Transactions worth over 2 crore taka, how many Pakistanis actually have Indian passports

Spread the love

আর কোন তথ্য উঠে এল ইডির হাতে? Image Credit: TV 9 Bangla

কলকাতা: আজাদ মল্লিক যোগে আরও পাকিস্তানি কি ভারতীয় পাসপোর্ট বানিয়েছে? সন্দেহ ক্রমেই বাড়ছে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেটের। ঠিক যে কায়দায় পাকিস্তানি আজাদ বাংলাদেশ হয়ে ভারতে প্রবেশ করে এ দেশের পাসপোর্ট বানায় একই কায়দা অবলম্বন করা হয়ে থাকতে পারে বাকি সাতজনের ক্ষেত্রেও। 

ইডি সূত্রে খবর, পাসপোর্ট জালিয়াতি মামলায় সদ্য গ্রেফতার হওয়া ইন্দুভূষণ হালদারের থেকে আরও সাতজনের পাসপোর্ট বানিয়েছিল আজাদ। নিজের ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরির পরেই এই সাতজনের পাসপোর্ট বানিয়েছিল। ক্যাফে ভাড়া নিতে ইন্দুভূষন খরচ করে ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা। আজাদের ফোনে দুলাল নামে সেভ করা ছিল ইন্দুর নম্বর। সেই নম্বরে বারবার যোগাযোগের সূত্রেই সামনে আসে ইন্দু। পাসপোর্ট জালিয়াতি মামলায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ২ কোটির টাকার উপরে লেনদেনের হদিস পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট। ধৃত ইন্দুভূষণের মাধ্যমেই এই টাকার লেনদেন হয়েছে, অভিযোগ ইডি’র।

সাইবার ক্যাফে ও এক মিডলম্যানের বাড়ির ডেস্কটপ ভাড়া নিয়ে জাল নথি দিয়ে তিনশোর বেশি পাসপোর্ট তৈরি করেছে ইন্দুভূষন। ইন্দুভূষণকে শনিবার আদালতে পেশ করে ইডি। জেল হেফাজতে পাঠানোর আবেদন করা হলে ২৭ অক্টোবর অবধি জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

ইডি সূত্রের খবর, যে সাতজনের পাসপোর্ট ইন্দুভূষণকে দিয়ে বানিয়েছিল আজাদ, তারা বাংলাদেশি বলেই পরিচয় দিয়েছিল। ইডি অফিসারদের সন্দেহ, যেহেতু আজাদ নিজেও পাকিস্তানি। এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতের প্রবেশ করে তারপর ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরি করেছিল। একই কায়দা বাকি সাতজনের ক্ষেত্রেও অবলম্বন করা হয়ে থাকতে পারে। ইতিমধ্যেই রিজিওনাল পাসপোর্ট অফিস থেকে ৪০০ জনের পাসপোর্টের তথ্য সংগ্রহ করেছে ইডি। তাদের মধ্যে থেকে সন্দেহভাজন সাতজনের পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে বলে জানা যাচ্ছে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *