Shankar Ghosh: ‘আবারও ওই এলাকাতেই ত্রাণ নিয়ে যাব’, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই বললেন শঙ্কর – Bengali News | Shankar ghosh ‘I will take relief to that area again,’ said Shankar after being discharged from the hospital
বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ Image Credit: TV9 Bangla
শিলিগুড়ি: নাগরাকাটায় বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তাঁর ওপরেও হয়েছিল ইটবর্ষণ, কিল পড়েছিল পিঠে, পিছন থেকে ধাক্কা মারা হয়েছিল। শিলিগুড়ি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন শঙ্কর। বুধবার ছুটি পান। হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েই সাতসকালে ত্রাণ সংগ্রহ অভিযানে বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ। নিজ ওয়ার্ডে ত্রাণ সংগ্রহ অভিযান নামলেন তিনি। সংগৃহিত ত্রাণ নিয়ে ফের ছুটবেন ডুয়ার্সেই। বললেন, যেখানেই আক্রান্ত হয়েছিলেন, সেখানেই আবার যাবেন তিনি।
দিন কয়েক আগেই সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ত্রাণ দিতে গিয়ে হামলার শিকার হন। দিন কয়েক শিলিগুড়িতে চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবারই ছুটি পান তিনি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফের ময়দানে তিনি। সাতসকালে দলের কর্মী অনুগামীদের নিয়ে বেরিয়ে পড়েন ত্রাণ সংগ্রহ অভিযানে।
শঙ্কর বলেন, “আবার ওখানেই যাব। আমি ঘরে বসে থাকার পাত্র নই। মারতে হলে একেবারে মেরে ফেলুক। নাহলে আমাকে আটকানো যাবে না।”
ডান হাতে চোট লেগেছে বিধায়কের। এখন তা সাপোর্টে রাখা রয়েছে। সেই অবস্থানেই ত্রাণ সংগ্রহে নেমেছেন তিনি। সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন, “ছুটি তো সেভাবে হয় না, জীবনের ছুটি না মেলা পর্যন্ত ছুটি নেই। কাজ না করলে থাকতে পারি না। ত্রাণ দিতে গিয়ে মার খেতে হল বলে, আবার ত্রাণ সংগ্রহ করে পৌঁছাব না, এটা আমার স্পিরিট নয়। আবার যাব, প্রয়োজনে ওখানেই যাব। আমি পুরো বিষয়টা দেখছি। রিলিফ ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজমেন্টটাকে ঠিক করতে হবে।” তৃণমূলকে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “তৃণমূল কোনও রাজনৈতিক দল নয়, ওটা একটা ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান। যাঁরা ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্প ভাঙচুর করে, রিলিফ দিতে গেলে পেটায়, তাদের রাজনৈতিক দল বলা হলে, রাজনৈতিক দলের অপমান হবে।”
ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় মোট চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার প্রথমে ২ জনকে, পরে আরও ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতির তরফ থেকে মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। শুভেন্দু অধিকারীর তরফ থেকে ছবি মার্ক করে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছিল। এই গ্রেফতারি প্রসঙ্গে শঙ্কর বলেন, “কারা গ্রেফতার হয়েছে জানি না। যদি সঠিক লোক গ্রেফতার হয়, তাহলে বুঝব তদন্ত সঠিক পথে হচ্ছে।”
ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় বিজেপি অন্তর্দ্বন্দ্বের তত্ত্ব খাড়া করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সে প্রসঙ্গে শঙ্কর বলেন, “তাহলে উনি যে নন্দীগ্রামে গিয়ে পাটে চোটে পেলেন, সেটাও অন্তর্দ্বন্দ্বে। ওনার কথার উত্তর দিতে অস্বস্তি লাগে।”