Asit-Rachna: ব্যানারে নেই রচনার ছবি, তবে কি দ্বন্দ্ব? প্রশ্ন উঠতেই অসিত বললেন, ‘ও তো আমার বোনের মতো’ – Bengali News | No photo of rachna banerjee in vijaya sammilani poster
ব্যানারে কেন নেই রচনার ছবি?Image Credit: Tv9 Bangla
চুঁচুড়া: চুঁচুড়া বিধানসভার তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনীতে অনুপস্থিত সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যানারেও অনুপস্থিত তিনি। বিধায়ক অসিতের দাবি, সাংসদ থাকতে পারবেন না জানিয়েছিলেন তাই তাঁর ছবি দেওয়া হয়নি।
মঙ্গলবার চুঁচুড়া রবীন্দ্রভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল চুঁচুড়া বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী। অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চুঁচুড়া বিধানসভার অন্তর্গত পুরসভার ব্লক ও পঞ্চায়েত স্তরের নেতৃত্ববৃন্দ,তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা।
তবে অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চের স্ক্রিনের ব্যানারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়ক অসিত মজুমদারের ছবি থাকলেও অনুপস্থিত হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। এই বিষয়টি ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা।
সাংসদ ঘনিষ্ঠ চুঁচুড়া শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান,অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণ পেয়েছেন মাত্র দুই ঘণ্টা আগে। সাংসদের ছবি কেন রাখা হয়নি,তা উদ্যোক্তারাই ভাল বলতে পারবেন।
অন্যদিকে, বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, “আজকের অনুষ্ঠান সম্পর্কে আমি সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়েছিলাম। তিনি আগেই জানিয়েছিলেন যে আজ কলকাতায় থাকবেন না। তাই অনুপস্থিতির কারণেই তাঁর ছবি রাখা হয়নি। সাংসদ আমার ছোট বোনের মতো, আমার অধিকাংশ কর্মসূচিতেই তাঁর ছবি থাকে। আজ শুধু তিনি না আসতে পারায় ব্যানারে তাঁর ছবি রাখা হয়নি।”
তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে।কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী বিজেপি। হুগলি সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন,”সাংসদ বিধায়কের সম্পর্ক সাপে নেউলে। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে সেই সম্পর্ক আরও খারাপ হবে।
প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসিত মজুমদারের মধ্যে নানা বিষয়ে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। চুঁচুড়ার একটি স্কুলে স্মার্ট ক্লাস রুম তৈরি নিয়ে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। তারপর একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন। পরবর্তীতে প্রায় কোনও অনুষ্ঠানেই দুজনকে একসঙ্গে দেখা যায়নি। চুঁচুড়ায় দুর্গা পুজোর উদ্বোধনেও দুজনে আলাদা আলাদা করেন। বিধায়কের বিজয়া সম্মিলনীতে সাংসদ অনুপস্থিত থাকাটা তাই অস্বাভাবিক নয় বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।