রাজ্যে আসছেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার, SIR নিয়ে জল্পনা বাড়তেই দিলীপ বললেন… – Bengali News | Deputy election commissioner gyanesh bharti is coming to kolkata on october 7
SIR নিয়ে কী বললেন দিলীপ ঘোষ?Image Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: আর মাস সাতেক পরই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের(SIR) পরই কি বঙ্গে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হবে? বাংলায় খুব শিগগিরি কি SIR শুরু হবে? বেশ কিছুদিন ধরেই এই নিয়ে জল্পনা চলছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, তাঁরা SIR-র জন্য প্রস্তুত। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে এখনও কোনও নির্দেশ আসেনি। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় আসছেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। হঠাৎ বাংলায় আসছেন কেন তিনি? এই নিয়ে জল্পনা বেড়েছে।
আগামী ৭ অক্টোবর বাংলায় আসছেন জ্ঞানেশ ভারতী। ১৯৯৮ ব্যাচের এই আইএএস অফিসার পরদিন অর্থাৎ ৮ অক্টোবর রাজ্যের সব জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সূত্রের খবর, SIR প্রস্তুতি কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা খুঁটিয়ে দেখতেই জ্ঞানেশ ভারতী বাংলায় আসছেন।
বিহারে SIR-র পর কয়েকদিন আগে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। SIR শুরুর আগে বিহারে যতজন ভোটার ছিলেন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ৪৮ লক্ষের নাম বাদ পড়েছে। আর কয়েকদিনের মধ্যে বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তার আগেই SIR করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা কমিশন প্রকাশ করেছে। বিহারের মতো বাংলাতেও SIR-র পরই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হতে পারে বলে জল্পনা বেড়েছে। বিহারে বিশেষ নিবিড় সংশোধন শুরুর পর থেকেই সরব হয় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। সেইসময় তৃণমূলও জানায়, বাংলায় একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে নির্বাচন কমিশনের দফতর ঘেরাও করা হবে।
ডেপুটি ইলেকশন কমিশনারের বঙ্গ সফরের পরই কি এরাজ্যে SIR-র ঘোষণা করা হবে? এই নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। রাজ্যে SIR নিয়ে এদিন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “প্রস্তুতি আগেই শুরু হয়েছে। কর্মীদের প্রশিক্ষণও হয়েছে। শুধু বুথ লেভেল অফিসার (BLO) সব বুথে খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাংলার সরকার চাইছে, সিভিক ভলান্টিয়ার, পার্টির লোককে বিএলও করতে। আমরা বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ করেছি। পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে। প্রত্যেককে তাঁর বুথে যিনি বিএলও হিসেবে আসছেন, তিনি সরকারি স্থায়ী কর্মী কি না, তা দেখতে হবে। তা না হলে প্রতিবাদ করতে হবে। অন্যথায় যে জন্য এসআইআর হচ্ছে, সেটা সফল হবে না।”