DVC Water Relesed: থিমে DVC বনাম রাজ্য! মমতার অভিযোগকে ‘বাস্তব’ রূপ দিল খানাকুলের পুজো কমিটি – Bengali News | Durga Puja Mandap Theme Highlights DVC Water Release Floods: Cries of Suffering, Political Uproar Peaks
প্রতীকী বন্যা খানাকুলেImage Credit: নিজস্ব চিত্র
হুগলি: ডিভিসির ছাড়া জলে ‘যন্ত্রণা’। আর এবারের দুর্গা পুজোয় সেই ‘যন্ত্রণার’ কথা তুলে ধরল হুগলির ঘোষপুর সমাজ শিক্ষা কেন্দ্র নামে একটি ক্লাব। বারংবার ডিভিসির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলতে দেখা গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বারংবার যে ‘ম্যান-মেড বন্যার’ অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। সেই অভিযোগগুলিকেই যেন ছবির আকার দিল তারা। তুলে ধরল বন্যা বিধ্বস্ত খানাকুলের মানুষের কথা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘোষপুর ইউনিয়ন নেতাজী বিদ্যাপীঠের সামনে তৈরি করা হয়েছে এই পুজো প্যান্ডেল। সেখানে তৈরি হয়েছে ডিভিসির প্রতীকী জলাধার, যার একেবারে অনতিদূরে তৈরি হয়েছে ‘ছোট খানাকুল’। জলাধার থেকে ক্রমাগত জল ছাড়ছে ডিভিসি, যার জেরে ভাসছে ওই প্রতীকী এলাকাও। একাংশের অভিযোগ বাস্তব চিত্রটাও ঠিক এমনই।
প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক বছরে চড়াও হয়েছে ডিভিসি বনাম রাজ্যের সংঘাত। এমনকি, গতবছর এই দুইয়ের মধ্য়ে চলা ‘জলযুদ্ধ’ এতটাই তুঙ্গে উঠেছিল যে দামোদর ভ্যালি জলাধার নিয়ন্ত্রণ কমিটি থেকে রাজ্যের প্রতিনিধি প্রত্যাহার করার কথা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃষ্টি নেই, তাই সংঘাতও এখন চাপা। কিন্তু রাজনৈতিক বিতর্ক? তা আপাতত এই মণ্ডপ ঘিরেই উঠেছে তুঙ্গে।
এই পুজো কমিটির প্রধান খানাকুল ১ নম্বর ব্লকের কমিটির তৃণমূল নেতা। নাম হায়দার আলি। হুগলি জেলা পরিষদের মেন্টর পদেও রয়েছেন তিনি। ফলত, তাঁর পুজোয় ঘিরে রাজনীতি যে চড়বে এটাই স্বাভাবিক। এদিন হায়দার আলি বলেন, ‘আমরা শুনে এসেছি বর্ষাকাল এলেই ডিভিসি জল ছেড়ে দেয়। আর তাতেই গোটা খানাকুল প্লাবিত হয়ে যায়। ডিভিসি প্রতি বছরই ফসল তোলার সময় জল ছাড়ে। যার জেরে সব ফসল নষ্ট হয়ে যায়। আমাদের এই থিম ডিভিসিকে সতর্ক করতেই।’
অন্যদিকে খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বললেন, ‘পুজোয় আমাদের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু এটার যে থিম হয়েছে, তা হল ডিভিসির জলে বন্যা। মুখ্যমন্ত্রী খোদ নিজে ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেছেন। এমনকি, গতকাল যখন হুগলির জেলাশাসক ওই পুজো দেখতে গিয়েছিলেন, সেই সময় তিনি বললেন, ডিভিসি পরিকল্পিত ভাবে প্লাবন ডাকে। এই কথাটা শুনে সত্যিই খুব খারাপ লাগল।’