Gemstone Astrology: কেতাদুরস্ত হয়ে হাতে লোহার বালা পরে ঘুরছেন? কী প্রভাব পড়ে, কারা পরতে পারে জানেন? – Bengali News | Who should wear metal bracelets according to gemstone astrology
বর্তমানে ব্রেসলেট পরাটা ফ্যাশনের একটা অঙ্গ হয়ে উঠেছে। তাও মহিলা-পুরুষ নির্বশেষে। কেউ হাতে পরেন রুপোর ব্রেসলেট, কেউ পরেন লোহার বালা আবার কেউ পরেন সোনার। যদিও এখন এটা মূলত ফ্যাশনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে তবে শাস্ত্র বলছে হাতে ব্রেসলেট পরার বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে। কে কোন ধাতুর ব্রেসলেট পরছেন তার উপরে অনেক কিছুই নির্ভর করে।
এই সব ধাতব ব্রেসলেট শরীরে শক্তির ভারসাম্য রাখতে এবং বাস্তু দোষ দূর করতে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কারা এটি পরতে পারেন? ব্রেসলেট পরার নিয়ম কী?
রত্নশাস্ত্র অনুযায়ী, ব্রেসলেট পরার বিষয়টি সরাসরি গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত। পুরুষদের সাধারণত ডান হাতে ব্রেসলেট পরার পরামর্শ দেওয়া হয়। রত্নশাস্ত্র আসলে বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রের একটি শাখা, যেখানে রত্ন ও ধাতুর সঙ্গে ব্যক্তির জন্মছক বা গ্রহগত অবস্থানের সম্পর্ক বোঝানো হয়।
বিশ্বাস, সঠিক ধাতু বা রত্ন জ্যোতিষীর পরামর্শমতো পরলে জীবনের বাধা দূর হয় এবং কর্মজীবন, ব্যবসা ও ব্যক্তিগত উন্নতির পথ উন্মুক্ত হয়।
অনেকে নিজের পছন্দমতো সোনা, রুপো, পিতল বা লোহার বালা কাড়া পরে নেন। কিন্তু ভুল ধাতুর ব্রেসলেট পরলে নেতিবাচক প্রভাবও আসতে পারে। প্রতিটি ধাতুই নির্দিষ্ট একটি গ্রহের সঙ্গে যুক্ত, তাই জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে নিজের রাশিফল অনুযায়ী ব্রেসলেট বেছে নেওয়াই শ্রেয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, লোহার ব্রেসলেট বা বালা কিছু নির্দিষ্ট রাশির জন্য অত্যন্ত শুভ। লোহা সরাসরি যুক্ত শনিদেবের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
কোন কোন রাশির জন্য লোহার ব্রেসলেট উপকারী?
মকর রাশি – মকর রাশির অধিপতি গ্রহ শনি। তাই এই রাশির জাতকদের লোহার ব্রেসলেট পরা অত্যন্ত শুভ। এতে চাকরি, কর্মজীবন এবং ব্যবসায় উন্নতির সম্ভাবনা বাড়ে।
কুম্ভ রাশি – কুম্ভ রাশির অধিপতিও শনি। লোহার ব্রেসলেট পরলে কুম্ভ রাশির জাতকেরা নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকতে পারেন এবং শনির আশীর্বাদে সফলতা লাভ করেন।
কন্যা রাশি – যদিও কন্যা রাশির অধিপতি গ্রহ বুধ, তবে শনি বুধের বন্ধু গ্রহ হিসেবে পরিচিত। ফলে কন্যা রাশির জন্য লোহার ব্রেসলেট পরা শুভ। এতে কর্মজীবন এবং ব্যবসায় সাফল্য আসে। শনির কৃপা লাভ হয়।
লোহার ব্রেসলেট পরার নিয়ম –
শনিবার কাড়া পরা সবচেয়ে শুভ। লোহার ব্রেসলেট বা বালা ধারণের আগে গঙ্গাজল বা গোমূত্র-দুধ দিয়ে তা শুদ্ধ করা প্রয়োজন। পরার সময় শনি বীজ মন্ত্র ১০৮ বার জপ করতে হবে।