পুজোর আগে প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের গেস্ট হাউসে অগ্নিকাণ্ড, আতঙ্কে স্থানীয়রা - 24 Ghanta Bangla News
Home

পুজোর আগে প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের গেস্ট হাউসে অগ্নিকাণ্ড, আতঙ্কে স্থানীয়রা

Spread the love

পুজোর আগে শহরে অগ্নিকাণ্ড। প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডে বৃহস্পতিবার দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। একটি বহুতল গেস্ট হাউসের শীর্ষতলায় হঠাৎ আগুন লাগায় মুহূর্তেই এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভবনে গেস্ট হাউস ছাড়াও কয়েকটি অফিস এবং একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ফলে দুপুরবেলা হঠাৎ আগুন লাগায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বহুতলের বাসিন্দা ও আশপাশের লোকজন।

আরও পড়ুন: সন্তোষপুর স্টেশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে গেল ১২টি দোকান, ব্যাহত লোকাল চলাচল

দমকল সূত্রে জানা গেছে, এদিন দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ ছাদের দিক থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। স্থানীয়রাই প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় ৪০ মিনিটের চেষ্টার পর আগুন সম্পূর্ণভাবে নেভানো সম্ভব হয়। দমকলকর্মীরা জানিয়েছেন, বহুতলের ভেতরে যারা আটকে ছিলেন, তাঁদের সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি বলে জানিয়েছে দমকল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন ছড়িয়ে পড়ার সময় অনেকে দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। কেউ কেউ জানলা দিয়ে ধোঁয়া উড়তে দেখে আতঙ্কে নেমে পড়েন। গেস্ট হাউসের এক রাঁধুনি বলেন, তিনি রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। হঠাৎ ধোঁয়া দেখে বুঝতে পারেন কিছু একটা ঘটেছে। পরে জানতে পারেন আগুন লেগেছে। দমকল সূত্রে খবর, বহুতলের ছাদে একটি অস্থায়ী ছাউনি ছিল। সেখানেই আগুনের সূত্রপাত হয়। ছাদের প্রায় সব জিনিস ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। তবে নীচের তলায় আগুন ছড়ানোর আগেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হওয়ায় বড় বিপদ এড়ানো গেছে। আগুন লাগার আসল কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। দমকল বিভাগ আগুনের কারণ অনুসন্ধান করছে।

অন্যদিকে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দমকল দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। তবে গেস্ট হাউসের উপরের তলাটি নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হবে। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। লাগোয়া বাড়িগুলির বাসিন্দারাও আতঙ্কে ছিলেন। যদিও দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় স্বস্তি ফিরেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *