Recruitment Scam: দুর্নীতিতে ‘চাণক্যে’র নাম আসতেই কী বললেন কুণাল-শমীক-শঙ্কররা? – Bengali News | Recruitment scam Kunal Ghosh’s comments regarding the former SSC chairman
শমীক ভট্টাচার্য, কুণাল ঘোষ, শঙ্কর ঘোষImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্য, এসপি সিনহাদের বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুক্রবার সাক্ষ্য দিয়েছেন এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান। আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালতে বিচারক বিশ্বরূপ শেঠের এজলাসে সাক্ষ্য দিতে এসে এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান দাবি করেন, বেআইনি নিয়োগের জন্য তাঁর কাছে চাপ আসত। চাপ দিতেন মুকুল রায়। সাক্ষ্যগ্রহণে তিনি একথা বলেছেন। এমনকি তিনি এও বলেছেন, শিল্পমন্ত্রী থাকাকালীন পরোক্ষে চাপ দিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও।
এ নিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “মামলা চলাকালীন এই বিষয়টা নিয়ে কিছু বলব না। এটা তদন্তের বিষয়।” তবে এই নিয়ে স্পষ্ট করে বলেন, “দলের সঙ্গে এই বিষয়টার কোনও সম্পর্ক নেই।”
এই মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে যত না বেশি চর্চা হচ্ছে, তার থেকেও বেশি চর্চিত মুকুল রায়ের নাম সামনে আসাতে। কারণ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে মুকুল রায়ের নাম সে অর্থে সামনে আসেনি বলেই জানাচ্ছেন আইনজীবীদের একাংশ। স্বাভাবিকভাবেই এই নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা।
এই নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “তিনি যা বলছেন, সত্য বলছেন। মুকুল রায় তখন সংগঠনের দায়িত্বে ছিলেন। তখন তো তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মসূচি ছিল, চাকরি বিক্রি করতে হবে। যে কোনও মূল্যে কোষাগারকে স্ফিত করতে হবে। সেই কারণেই মুকুল রায় চাপ তৈরি করতেন। মুকুল রায় এখন অসুস্থ, পার্থ চট্টোপাধ্যায় জেলে। এখন গোটা দল যদি ওঁদের থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয়, বা এরকম কোনও বিবৃতি দেয়, তাহলে সেটা মানুষ মেনে নেবেন না। কারণ বাংলার প্রত্যেকটা মানুষ জানেন, এটা একটা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি।”
বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যানের এই সাক্ষ্য নিশ্চিতভাবে দুর্নীতিতে দোষীদের শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস শাসকদলের যত জন নেতামন্ত্রী জেলে গিয়েছেন, তাতে নতুন নাম নিয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই।”