Partition Of India: ১৯৪৭ নয়, তার ১০ বছর আগেই ভাগ হয়েছিল ভারত! জানতেন? - Bengali News | Partition Of India: India was divided 10 years before that, not in 1947! Did you know? - 24 Ghanta Bangla News
Home

Partition Of India: ১৯৪৭ নয়, তার ১০ বছর আগেই ভাগ হয়েছিল ভারত! জানতেন? – Bengali News | Partition Of India: India was divided 10 years before that, not in 1947! Did you know?

Spread the love

আচ্ছা ভারত বিভক্ত কবে হয়েছিল? ১৯৪৭ সালের অগস্ট মাসে, তাই না? কিন্তু যদি বলি, আসলে সেটা নয়। তারও আগে ভাগ হয়ে গিয়েছিল অখণ্ড ভারতবর্ষ। আর সেই তারিখটা প্রায় হারিয়েই গিয়েছে ইতিহাসের পাতা থেকে। স্বাধীনতার প্রায় ১০ বছর আগে ১৯৩৭ সালে প্রথমবারের জন্য ভাগ হয় ভারত।

১৯৩৭ সালের ১ এপ্রিল, ভারত থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে আলাদা হয়ে যায় তৎকালীন বার্মা বা আজকের মায়ানমার। কিন্তু এই বিভাজন কেন হয়েছিল? এর প্রভাবেই বা কী হয়েছিল?

১৯৩৭ সালে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় মায়ানমার। আর তার পিছনে ছিল বিরাট কারণ। ১৯২০ সালের আশেপাশের সময় থেকেই বার্মা আলাদা হতে চাইছিল ভারত থেকে। কারণ, সেই সময় পুরোটাই ব্রিটিশ শাসনের অধীনে থাকায় বার্মার মানুষ মনে করত সেই দেশটা হয়তো দখল করে নিচ্ছে ভারতীয় অভিবাসীরা। আর এর ফলে ১৯৩৭ সালে রেঙ্গুনে ভয়াবহ দাঙ্গা হয়।

এ ছাড়াও, প্রশাসনিক সুবিধার জন্য ব্রিটিশরাও বার্মাকে ভারত থেকে আলাদা করতে চাইছিল। তাদের কৌশল ছিল, বার্মার জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন করে দুর্বল করে দেওয়া। আর সেই ভাবনাকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেয় সাইমন কমিশন। ১৯৩০ সালেই তারা বার্মাকে ভারত থেকে আলাদা করার সুপারিশ করে।

এই সুপারিশের ভিত্তিতে ব্রিটিশ সরকার ‘গভর্নমেন্ট অফ বার্মা অ্যাক্ট ১৯৩৫’ পাশ করে। এর ফলেই ১৯৩৭ সালের ১ এপ্রিল বার্মা একটি পৃথক ব্রিটিশ উপনিবেশে পরিণত হয়।

এই বিভাজনের প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। বিশেষ করে বাংলায় এর বড় আঁচ পড়েছিল। সেই সময় বহু বাঙালি ব্যবসা, চাকরি এবং শ্রমিকের কাজ নিয়ে বার্মায় থাকতেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। অনেকেই রাতারাতি ফিরে আসেন ভারতে। ঐতিহাসিকরা তাই এই ঘটনাকে ব্রিটিশ ভারতের ‘প্রথম বিভাজন’ বলেও উল্লেখ করেন।

বিচ্ছেদের পর বার্মার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও বড় পরিবর্তন আসে। জাতিগত সংঘাত তীব্রতর হয়। সংখ্যাগুরু বার্মিজ বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘাতের শুরু সেই সময়ে থেকেই। আর আজও তার আঁচে পুড়ছে সেই দেশের রাজনীতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *