SSC: নোয়া খুলতে বলায় বলেছিলেন পরীক্ষা দেবেন না অথচ SSC-র পরীক্ষার্থীর তালিকায় সেই মণীষার নাম – Bengali News | Ssc: When asked to open the door, Noah said he would not take the exam, but Manisha’s name was on the list of SSC examinees.
কলকাতা: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন। কিন্তু তাঁকে পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে নাকি খুলতে বলা হয়েছিল হাতের নোয়া। তিনি তা করতে অস্বীকার করেছিলেন। শেষমেশ নাকি তিনি পরীক্ষা না দিয়েই বাড়ি ফিরেছিলেন। কিন্তু SSC-র তালিকায় ধরা পড়ল অন্য ছবি। এসএসসি-র পরীক্ষার্থীর তালিকায় রয়েছেন মনীষা সিকদার। পরীক্ষা হলে সই করে পরীক্ষায় বসেছেন তিনি। আর তাই নিয়েই সুর চড়িয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, পরীক্ষা হলের বাইরে অনেক প্রতিবাদ করেছেন, অথচ পরীক্ষাটা ঠিকই দিয়েছেন।
কল্যাণের কথায়, “মণীষা সিকদার প্রেসের কাছে ওসব বলেছিলেন। যাতে প্রচার হয়। কিন্তু তিনি ফিরে গিয়ে আবার পরীক্ষাও দিয়েছেন। যদি পাশ করেন, তাহলে চাকরি পাবেন।” অথচ এই বিষয়টা নিয়েই গত রবিবার সুর চড়িয়েছিল বিজেপি। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি ছিল, নোয়া খুলতে বলা হচ্ছে, কিন্তু হিজাব তো খুলতে বলা হচ্ছে না। সে প্রসঙ্গে কল্যাণ বলেন, “হিজাবের মধ্যে তো আর মেটাল থাকে না। সে তো ছেলেদের ক্ষেত্রেও বেল্ট খুলতে হয়।” এই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “একবার আমি বিদেশে গিয়েছিলাম, সেখানে আমাকে পইতে খুলতে হয়েছিল। তখন তাঁদেরকেও বোঝাতে হয়েছিল। সিকিউরিটিতে যে গাইডলাইন রয়েছে, সেটা মেনে তো চলতেই হবে।”
রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে ‘কালনা হিন্দু গার্লস উচ্চ বিদ্যালয়ে।’ ওই স্কুলে একাদশ-দ্বাদশের এসএসসি পরীক্ষার সিট পড়েছিল পূর্ব বর্ধমানের মেয়ে মণীষা সিকদারের। এক মাস হয়েছে, তাঁর বিয়ে হয়েছে। তিনি নোয়া হাতেই এসেছিলেন পরীক্ষা দিতে। কিন্তু এসএসসি-র তরফ থেকে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, কোনও ধাতব জিনিস পরীক্ষা হলে গ্রাহ্য করা হবে না। তাঁকে নোয়া খুলতে বলায়, তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, “আরে এক মাস বিয়ে হয়েছে আমার। এখন বলছে নোয়া খুলে ফেলতে হয় নাকি? পরীক্ষা দেবই না।” এসএসসি সূত্রে খবর, নোয়া খুলেই পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি।