Bombardment at Gulshan Colony: গুলশন কলোনিতে কোন ‘যখের ধন’? জটিলতার ত্র্যহস্পর্শে বিদ্ধ তৃণমূল – Bengali News | Grabbing the Syndicate: How Gulshan Colony Rift Splits TMC Over Turf Control
গুলশন কলোনিতে কোন জটিলতা?Image Credit: নিজস্ব চিত্র
কলকাতা: মোবাইলে ঢুকছে ‘ইনফরমেশন’, তারপরেই লক্ষ্য করে ছুড়ছে বোমা। গুলশন কলোনি যেন সিনেমার ‘মির্জাপুর’। কিন্তু কেন এমন পরিস্থিতি? কোথা থেকে আসছে বন্দুক-বোমা? কোথায় নিরাপত্তার অভাব? প্রশ্ন তুলছেন একাংশ।
গুলশন কলোনি নাকি মির্জাপুর?
কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ গুলি খাওয়ার পর থেকে শিরোনামে এসে গিয়েছে গুলশন কলোনি। এমনকি, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্য়ে বিচ্ছিন্ন ভাবে কয়েক দফায় যখন উত্তপ্ত হয়ে উঠল গুলশন কলোনি। তার মাশুল পোহাতে হল ওই কাউন্সিলরের অনুগামীদেরই। এক বিরিয়ানির দোকানেও চলে ভাঙচুর।
কেন এত জটিলতা?
স্থানীয়রা বলছেন, শাসকদলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে প্রাণ। বৃহস্পতিবার রাতে শুধুই বোমাবাজি নয়, এলাকার বাসিন্দাদের হুমকিও দিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। কিন্তু কেন গুলশন কলোনি? কী এমন ‘যখের ধন’ রয়েছে সেখানে?
- একাংশ বলছেন, গুলশন কলোনির মধ্যে এমন দুর্বৃত্তরাজের কারণ সেখানকার ‘ডেমোগ্রাফি’। বিজেপি নেতা সজল ঘোষের দাবি, ‘গোটাটাই রোহিঙ্গা এলাকা। কলকাতা পুলিশে শান্ত হবে না। বাংলাদেশের পুলিশ চাই। ২ লক্ষ বাসিন্দা। এদিকে ভোটার মাত্র তিন হাজার।’
- দ্বিতীয় জটিলতা রয়েছে, সিন্ডিকেট ঘিরে। এলাকা দখল হলেই হাতে আসবে সিন্ডিকেট। ভরবে পকেট। যা ঘিরে এত কোন্দল। গুলশন কলোনিতে রয়েছে নির্মাণ ব্যবসার সিন্ডিকেট। অভিযোগ, এত ‘অনুপ্রবেশকারী’র মাথায় ছাদ দিতে তৈরি হচ্ছে বেআইনি বহুতল। পরিস্থিতি এখন কিছুটা রোখা গেলেও, পুরোপুরি ভাবে বেআইনি নির্মাণ বন্ধ করা গিয়েছে এমনটা নয়। তাই বেআইনি নির্মাণের সিন্ডিকেট নিজেদের হাতে নিতেও বেঁধেছে কোন্দল, মত একাংশের।
- তৃতীয় জটিলতা রয়েছে অটো-রিক্সা স্ট্যান্ড ঘিরে। কার আওতায় যাবে অটো-রিক্সা স্ট্যান্ডের ইউনিয়ন, সেই নিয়ে লড়াই শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। বিরোধীদের অভিযোগ, দ্বৈরথ নামিয়েছে শাসকদলের বিধায়ক ও কাউন্সিলর।