Birth Certificate: বার্থ সার্টিফিকেট দিতে পঞ্চায়েত থেকে নেওয়া হচ্ছে ৫০০ টাকা, দেওয়া হচ্ছে রশিদ! – Bengali News | Baduria: The panchayat is charging 500 taka for issuing a birth certificate, but a receipt is being given!
উত্তর ২৪ পরগনা: বার্থ সার্টিফিকেট অর্থাৎ জন্মের শংসাপত্র নিতে গেলে দিতে হচ্ছে ৫০০ টাকা। অনুদান হিসাবে নিচ্ছে তৃণমূলের পঞ্চায়েত। বেআইনিভাবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়াতে। সরকারি আইনে জন্ম অথবা মৃত্যুর সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য কোন টাকা লাগে না। কিন্তু এক্ষেত্রে এহেন অভিযোগ উঠছে।
বাদুড়িয়ার চণ্ডীপুর পঞ্চায়েতের উমাপতিপুরের বাসিন্দা হাবিল মন্ডল তাঁর ছেলের বার্থ সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেন পঞ্চায়েতে। তখনই পঞ্চায়েত থেকে তাঁকে ৫০০ টাকা দেওয়ার কথা বলেন। তিনি ৫০০ টাকা দিলে, সেই টাকার রশিদও পঞ্চায়েত থেকে দেওয়া হয়। যাতে পরিস্কারভাবে লেখা আছে, জন্ম সার্টিফিকেটের জন্য ডোনেশন স্বরূপ ৫০০ টাকা । রশিদের সিরিয়াল নম্বর ২৬৬। রশিদে আদায়কারীর সইও করা আছে।
হাবিল মন্ডল কেবল একাই নন, এলাকার আরও অনেকের অভিযোগ, চণ্ডীপুর পঞ্চায়েতে এইরকম দুর্নীতি বহু দিন ধরেই হচ্ছে । জন্ম সার্টিফিকেট নিতে গেলে ৫০০ থেকে শুরু করে তার বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে। এই পঞ্চায়েতে টাকা দিলেই বার্থ সার্টিফিকেট পেয়ে যাবে যে কেউ। বাংলাদেশি নাগরিক এসেও যদি এখানে টাকা দেয় তাহলে সেই বাংলাদেশি নাগরিকও জন্ম সার্টিফিকেট পেয়ে যাবে টাকার বিনিময়ে । হাবিব বলেন, “পঞ্চায়েত পাঁচশো টাকা করে নিচ্ছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ কীভাবে পারবে সেটা দিতে। পঞ্চায়েত বলছে, পঞ্চায়েত চালানোর জন্যই নাকি খরচা লাগে। কিন্তু সেই খরচা কি সাধারণ মানুষের থেকে নেওয়া হবে নাকি, সরকার টাকা দেয়?”
গ্রামের আরেক বাসিন্দা রাজীব মণ্ডল বলেন, “কেবল বার্থ সার্টিফিকেট নয়, ডেফ সার্টিফিকেট পেতে গেলেও টাকা দিতে হয়। পাঁচশো টাকা থেকে শুরু। এর বেশিও দিতে হয়। এলাকাটাই দুঃস্থ। সাধারণ মানুষের ভীষণই অসুবিধা হচ্ছে। বাংলাদেশি থেকে রোহিঙ্গা সবাই তো টাকা দিলেই বার্থ সার্টিফিকেট পেয়ে যাবে।”
এই বিষয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুহেলিকা পারবেন বলেন, “এই বিষয়টা আমি জানিনা , এই প্রথম শুনলাম , খোঁজ নিয়ে দেখব। যদি এরকম হয় তাহলে অবিলম্বে তার ব্যবস্থা গ্রহণ করব।” গোটা বিষয়টাকে নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা পলাশ সরকার বলেন, “কেবল চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতেই নয়, বাদুড়িয়ার সব কটা পঞ্চায়েতেই এভাবেই টাকা লুঠ হচ্ছে। মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার নামে পঞ্চায়েতগুলো এখন দুর্নীতির আঁতুরঘরে পরিণত হয়েছে। “