PM Modi: জাপান থেকেই ভারত-চিনের সম্পর্ক নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা মোদীর, কী বললেন? – Bengali News | Stable India China ties will give boost to global peace: PM Narendra Modi’s message from Japan
ভারত-চিনের সম্পর্ক নিয়ে বড় বার্তা নরেন্দ্র মোদীর (ফাইল ফোটো)Image Credit: PTI
টোকিয়ো: অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো-সহ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একের পর এক আলটপকা মন্তব্যে ভারত-আমেরিকার কূটনৈতিক চাপানউতোর বেড়েছে। শুধু ভারত নয়, চিন-রাশিয়া নিয়েও একের পর এক মন্তব্য করে চলেছেন ট্রাম্প। এই আবহে চিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) সম্মেলনে তিন দেশের রাষ্ট্রনেতা মিলিত হচ্ছেন। আর চিনে যাওয়ার আগে জাপান থেকে ভারত-চিনের সম্পর্ক নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার তিনি বলেন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য ভারত ও চিনের মধ্যে স্থিতিশীল ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দরকার।
চিনের তিয়ানজিনে ৩১ অগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর SCO সম্মেলন রয়েছে। মধ্য এশিয়া, মধ্য প্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাষ্ট্রনেতাদের সেই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই সম্মেলনে যোগ দিতেই সাত বছর পর চিনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। চিনে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে মোদীর।
তার আগে জাপান থেকে মোদী বার্তা দিলেন, ভারত ও চিনের মধ্যে স্থিতিশীল ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আন্তর্জাতিক শান্তিকে আরও গতি দেবে। জাপানের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন মোদী। তিনি বলেন, “বিশ্বের দুটি সর্ববৃহৎ দেশ, দুই প্রতিবেশীর স্থিতিশীল ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।”
রাশিয়ার কাছ থেকে ভারত তেল কেনা বন্ধ না করায় আমেরিকায় ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন ট্রাম্প। তা নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক চাপানউতোর বেড়েছে। ট্রাম্পের নাম না নিয়ে জাপানের ওই সংবাদমাধ্যমকে মোদী বলেন, “বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা আনতে ভারত ও চিনের একসঙ্গে কাজ করাও গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, স্বার্থ এবং সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে কৌশলগত এবং দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিকোণ থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে ভারত প্রস্তুত।”