Jalpaiguri: কোথা থেকে ছড়াচ্ছে রোগ! পোলট্রি ফার্ম না অন্য কিছু? খুঁজতে গ্রামে গেলেন চিকিৎসকরা – Bengali News | Doctors visits rajgunj village in jalpaiguri as to investigate leptospirosis cases
জলপাইগুড়ি: ইঁদুর জ্বর কেন ছড়িয়ে পড়ল, তার কারণ খুঁজতে স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশে রাজগঞ্জের চেকরমারি গ্রাম পরিদর্শন করলেন উত্তরবঙ্গের একদল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। রাজগঞ্জ ব্লকের সন্ন্যাসীকাটা অঞ্চলের চেকরমারি গ্রামে ইঁদুর জ্বরের আতঙ্ক এখনও কাটেনি। এখনও গ্রাম জুড়ে অস্বাভাবিক নীরবতা। গ্রামের রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা। মানুষজন অকারণে বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না। এই পরিস্থিতিতে গ্রাম পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।
এই পরিস্থিতিতে এলাকায় পৌঁছন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও উত্তরকন্যার স্বাস্থ্য দফতরের একদল আধিকারিক। সঙ্গে ছিলেন রাজগঞ্জের ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার রাহুল রায় ও তাঁর টিম। তাঁরা গ্রাম ঘুরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলেন।
আক্রান্ত এলাকা চিহ্নিত করা থেকে শুরু করে জলের উৎস, খাবার রাখার পরিবেশ সহ সবদিক খুঁটিয়ে পরিদর্শন করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ওই টিম।
গ্রামবাসী সীমা পাণ্ডে, মণীন্দ্র সরকারদের অভিযোগ এতদিন পার হয়ে গেলেও রোগের উৎস নির্দিষ্ট করে জানাতে পারেনি স্বাস্থ্য দফতর। তিনি বলেন, “আমরা বারবার জিজ্ঞেস করছি, কোথা থেকে এই রোগ ছড়াচ্ছে। কেন এত সময় লাগছে খুঁজে বের করতে? আমাদের অনুমান ওই পোল্ট্রি ফার্ম থেকে দূষণ ছড়াচ্ছে। শুধু আশ্বাসে কী হবে?আমাদের সন্তানরা আতঙ্কে আছে। গ্রামের মানুষ ঠিকমতো ঘুমোতে পারছে না। আমরা দ্রুত সমাধান চাই।”
বিশেষজ্ঞ দলের অন্যতম সদস্য চিকিৎসক শর্মিষ্ঠা ভট্টাচার্য জানান, রোগের উৎস নির্ণয়ের জন্য বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে। পাশাপাশি আমরা আক্রান্ত ও হাসপাতাল ফেরত রোগীদের বাড়ি গিয়েও তাঁদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে।
জলপাইগুড়ি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক অসীম হালদার বলেন, “স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশে একটি টিম ওই গ্রাম পরিদর্শন করে করে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করেছে।” ইঁদুর জ্বর নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই বলে মনে করেন তিনি। আপাতত আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমেছে।