৫০ কিলোমিটার টানেল ধরে এগোয় ট্রেন, চিনে নিন বিশ্বের দীর্ঘতম আন্ডার-সি টানেল – Bengali News | This is the longest tunnel under sea water, know the details
সমুদ্রের তলায় দীর্ঘ সুড়ঙ্গ। দৈর্ঘ্য ৫০ কিলোমিটার। পার করতে লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা। পৃথিবীর দীর্ঘতম এই সমুদ্র সুড়ঙ্গের নাম ‘চ্যানেল টানেল’। এটিকে ইউরোটানেল বা “চানেল”ও বলা হয়। এটি ইংলিশ চ্যানেলের ঠিক নীচে আছে, অর্থাৎ ইংল্যান্ডের ফোকস্টোন এবং ফ্রান্সের ক্যালাইসের মধ্যে সমুদ্রের নীচে অবস্থিত এটি। এর মোট দৈর্ঘ্য ৫০.৪৫ কিলোমিটার, যার মধ্যে ৩৭.৯ কিলোমিটার রয়েছে সমুদ্রের নীচে।
এটি সমুদ্রের নীচে দিয়ে যাওয়া বিশ্বের দীর্ঘতম রেল সুড়ঙ্গ। এই রেল সুড়ঙ্গটি ১৯৯৪ সালে উদ্বোধন করা হয়েছিল। এটি চালু করা হয়েছিল। এই ‘চ্যানেল টানেল’-এর প্রস্তাব প্রথম দিয়েছিলেন এক ফরাসি ব্যক্তি অ্যালবার্ট ম্যাথিউ-ফ্যাভিয়ার। তিনি ১৮০২ সালে ওই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সকে সংযুক্ত করার জন্য সমুদ্রের তলদেশে একটি সুড়ঙ্গ তৈরি করা উচিত।
উনিশ শতকে, দুই দেশকে সংযুক্ত করার জন্য আরও অনেক প্রস্তাব আসে, কিন্তু প্রযুক্তিগত সমস্যা থাকায় সেগুলি বাস্তবায়িত হয়নি।
১৮৮০-র দশকে, ব্রিটিশ এবং ফরাসি ইঞ্জিনিয়াররা সুড়ঙ্গ খনন শুরু করেছিলেন, কিন্তু নিরাপত্তার কারণে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। পরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, আবারও টানেল প্রকল্পটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এই সুড়ঙ্গে তিনটি সমান্তরাল টিউব রয়েছে, যার মধ্যে দুটি রেল টিউব এবং মাঝখানে একটি সার্ভিস টিউব রয়েছে। চ্যানেল টানেল মাত্র ২ ঘন্টা ১৫ মিনিটে লন্ডন থেকে প্যারিস ভ্রমণ সম্ভব করেছে।