Matua Thakurbari Controversy: ঠাকুরবাড়িতে শান্তনুর নতুন ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’, এবার কি তৃণমূলের পথে সুব্রত ঠাকুর? – Bengali News | Clash between BJP MP Shantanu Thakur and his brother BJP MLA Subrata Thakur
শান্তনু ঠাকুর (বাঁদিকে), সুব্রত ঠাকুর (ডানদিকে)Image Credit source: TV9 Bangla
ঠাকুরনগর: এতদিন ছিল শান্তনু ঠাকুর আর মমতাবালা ঠাকুরের দ্বন্দ্ব। এবার কি মতুয়া মহাসঙ্ঘের ঠাকুরবাড়িতে বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের আর এক প্রতিদ্বন্দ্বীর আবির্ভাব হল? শান্তনুর বিরুদ্ধে সরব হয়ে কি তৃণমূলের পথে পা বাড়ালেন তাঁর ভাই তথা গাইঘাটার বিজেপি বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর? শান্তনু ঠাকুর সরাসরিই একথা বলছেন। কিন্তু, হঠাৎ কেন দাদার বিরুদ্ধে সরব হলেন সুব্রত ঠাকুর? সত্যিই কি বাংলায় বিজেপির আর এক বিধায়ক কমতে চলেছে?
ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে মতুয়া কার্ড ও ধর্মীয় সার্টিফিকেট দেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব বেধেছে শান্তনু ঠাকুর ও সুব্রত ঠাকুরের মধ্যে। পারিবারিক বিবাদে ঠাকুরবাড়ির দুই ছেলের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। ঠাকুরবাড়ির অন্দরে এই গুঞ্জন চলছিল আগে থেকেই। এবার সিএএ-এর জন্য মতুয়া কার্ড ও ধর্মীয় সার্টিফিকেট দেওয়াকে কেন্দ্র করে শান্তনু ঠাকুর ও সুব্রত ঠাকুরের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য এল।
সুব্রত ঠাকুর ও শান্তনু ঠাকুরের মা ছবিরানি ঠাকুরের অভিযোগ, শান্তনু ঠাকুর মতুয়া মহাসঙ্ঘে একচ্ছত্র আধিপত্য চালাচ্ছেন। মতুয়া কার্ড ও ধর্মীয় কার্ড দেওয়ার জন্য শান্তনু ঠাকুর সাম্প্রতিক নাট মন্দিরে ক্যাম্প করেছেন। সুব্রত ঠাকুর এই ক্যাম্পের প্রতিবাদ করেছেন। তাই নিয়েই শুরু হয়েছে দুই ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব। এমনকী, এই দ্বন্দ্ব মেটাতে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের দ্বারস্থ হন শান্তনু ও সুব্রত ঠাকুরের মা। তাঁর বক্তব্য, “মতুয়া মহাসঙ্ঘের অধিকার নিয়ে আমাদের এই লড়াই। আমি আমার বড় জা-র কাছে গিয়েছিলাম। এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। আমি কোনও রাজনীতি করি না।”
মমতাবালা ঠাকুরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সুব্রত ঠাকুর। তবে কি তৃণমূলে যোগ দেবেন শান্তনুর ভাই? মমতাবালা ঠাকুর বলছেন, এর পিছনে কোনও রাজনীতির বিষয় নেই। কিন্তু, শান্তনু বলছেন, সুব্রতর তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেওয়া শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। ভাইকে নিশানা করে শান্তনু বলেন, “মাকে সামনে রেখে এসব করছে। এর কারণ পদ পেতে হবে। আর রাজ্যে মন্ত্রিত্ব পেতে গেলে তৃণমূল করতে হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগ দেওয়া হয়ে গেল। শুধু পতাকাটা ধরেনি।”
দাদার আক্রমণের জবাব দিয়েছেন সুব্রত ঠাকুর। বলেন, “মমতাবালা ঠাকুর আমার জেঠিমা। কীভাবে মতুয়াদের ভাল হয়, তা নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। আমি আমার জেঠিমা, মা, বোনের সঙ্গে কথা বলেছি।” দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্ব কতদূর গড়ায়, এখন সেটাই দেখার।
