Supreme Court: 'কুকুরদের তো মেরে ফেলা হচ্ছে না, আলাদা করা হচ্ছে', পুরসভাকেই দুষে রায়দান স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট - Bengali News | Supreme Court Slams Civic bodies, Says Rules Framed, but No Action taken - 24 Ghanta Bangla News
Home

Supreme Court: ‘কুকুরদের তো মেরে ফেলা হচ্ছে না, আলাদা করা হচ্ছে’, পুরসভাকেই দুষে রায়দান স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট – Bengali News | Supreme Court Slams Civic bodies, Says Rules Framed, but No Action taken

Spread the love

নয়া দিল্লি: পথকুকুরদের সরানো নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে চলছে শুনানি। এ দিন শীর্ষ আদালতের তরফে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকেই তুলোধনা করা হল পথকুকুর নিয়ন্ত্রণে আগে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য। আপাতত রায়দান স্থগিত রেখেছে শীর্ষ আদালত।

চলতি সপ্তাহের সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সন্দীপ মেহতা ও বিচারপতি আর মহাদেবন নির্দেশ দেন যে দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকা থেকে সমস্ত পথকুকুরদের সরিয়ে ফেলতে হবে। তাদের ডগ শেল্টারে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। শীর্ষ আদালতের সেই রায় নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। এরপরই বুধবার মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চে স্থানান্তর করা হয়।

এ দিন বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা ও বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে শুনানি হয়। দিল্লি সরকারের তরফে হাজির ছিলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি পথকুকুরদের হামলায় শিশুমৃত্যু, আহত হওয়া, এমনকী জলাতঙ্কে মৃত্যুর ঘটনার উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে। নির্বীজকরণে র‌্যাবিস আটকানো যাচ্ছে না।”

সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান যে প্রতি বছর দেশে ৩৭ লক্ষ কুকুরের কামড়ের ঘটনা ঘটে, যা দৈনিক গড়ে ১০,০০০। ৩০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে জলাতঙ্কে। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমান, এই সংখ্যাটা আরও বেশি।    সলিসিটর জেনারেল বলেন, “বহু মানুষ যারা মাংস খান, তারাও নিজেদের পশুপ্রেমী বলে দাবি করছেন। আমরা পশুবিদ্বেষী নই। কুকুরদের মেরে ফেলা হবে না..তাদের আলাদা করা হচ্ছে। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বাইরে খেলতে পাঠাতে পারছেন না। কুকুর কামড়ে, ছিড়ে খাচ্ছে।”

প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল অ্যানিমাল রাইটস বডির হয়ে লড়ছেন। তিনি পুরসভাকে আক্রমণ করে বলেন যে কোনও শেল্টার তৈরি করা হয়নি। কোথায় কুকুরদের রাখা হবে? তিনি প্রশ্ন তোলেন, নির্বীজকরণের পর কুকুরদের যদি ফিরতে না দেওয়া হয়, তাহলে তারা কোথায় যাবে? কুকুররা স্বভাবগতভাবে এলাকা ভিত্তিক। তাদের এক জায়গায় শেল্টারে রাখতে নিজেদের মধ্যে লড়াই হবে। যাতে মানুষরাও প্রভাবিত হবে।

এ দিকে, আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি দাবি করেন যে দিল্লি, গোয়া ও রাজস্থানে ২০২২ থেকো ২০২৫ সালের মধ্যে জলাতঙ্কে কোনও মৃত্যু হয়নি। যদি শেল্টার থাকত, তাহলে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ নিয়ে কোনও সমস্যা হত না।

শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, গোটা সমস্যাই হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার জন্য। কোনও আইন কার্যকর হয়নি। তার জন্যই আজকের এই সমস্যা। সাধারণ মানুষকে ভুগতে হচ্ছে, পশুপ্রেমীরা চাইছেন পথকুকুররা সুরক্ষিত থাকুক। যারাই এখানে স্থগিতাদেশের আবেদন করতে এসেছেন, তাদের সবাইকে দায় নিতে হবে। আজ কেন্দ্র এবং বাকি পক্ষের বক্তব্য শোনার পরে রায়দান স্থগিত রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *