Jalpaiguri: ফাঁসির সাজা শুনিয়েছিল জলপাইগুড়ি আদালত, নিজেই ‘ফাঁসি’ দিল সুরেশ! – Bengali News | One person deadbody recover from Jalpaiguri jela court
জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাImage Credit source: Tv9 Bangla
জলপাইগুড়ি: প্রেমে বাধা পেয়ে দাদাকে খুন করেছিল ভাই। সেই কারণে ভাইকে ফাঁসির সাজা দিয়েছিলেন বিচারক। এবার জেলখানার ভিতরেই গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় উদ্ধার হল ঝুলন্ত দেহ। মৃত ওই বন্দির নাম সুরেশ রায় (২৪)। তিনি ভক্তিনগর থানা এলাকায় মধ্য শান্তি নগরের বাসিন্দা। খুনের অপরাধে গত মার্চ মাসে জলপাইগুড়ি জেলা আদালতের বিচারক সুরেশ রায়কে ফাঁসির সাজা ঘোষণা করে। এরপর থেকে সুরেশ জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে ছিল। তারই দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রেমে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল দাদা শঙ্কর দাস (৩৫ )। এই কারণে ২০২১ সালের ৪ মার্চ সকালে প্রকাশ্য দিবালোকে দাদাকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে-কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে সুরেশের বিরুদ্ধে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে দাদার দেহে পরপর ১৮ বার আঘাত করেছিলেন অভিযুক্ত বলে কবর। সেই খুনের ঘটনায় সুরেশকে দোষী সাব্যস্ত করে জলপাইগুড়ি জেলা আদালত। অ্যাডিশনাল থার্ড কোর্টের বিচারক বিপ্লব রায় সুরেশকে ফাঁসির সাজা শোনায়। চলতি বছরের ২৯ মার্চ এই সাজা ঘোষণা হয়। এরপর থেকে সুরেশ কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে ছিল। এবার জেলখানা থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল।
সুরেশের দাদা মাধব রায় বলেন, “আমাদের আর্থিক সঙ্গতি না থাকায় উচ্চ আদালতে আবেদন করতে পারিনি। কিন্তু ফাঁসির আদেশের পর ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম। ওর মানসিক অবসাদ ছিল। সকালে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ জানায় দাদা সেলের গরাদে কাপড় দিয়ে ফাঁস লাগিয়েছে। হাসপাতালে এসে ভাইয়ের মৃতদেহ দেখলাম। জেলখানার ভেতর পুলিশ পাহাড়া দেয়। তারপর কীভাবে এই ঘটনা তা নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার।”
দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। একইসঙ্গে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ে তদন্ত এবং বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে সংশোধনার সূত্রে জানা গেছে।
