Risk in Mutual Funds: মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগে ঝুঁকি, তা কমাতে দেখুন এই উপায়গুলো! – Bengali News | Risk in Mutual Funds: Check out these ways to reduce the risk of investing in mutual funds!
মিউচুয়াল ফান্ড যেহেতু শেয়ার বাজারের সঙ্গে যুক্ত, সেই কারণে মিউচুয়াল ফান্ডে ঝুঁকিও রয়েছে। বিশেষত ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ডে। তবে, ডেট ফান্ড বা যে সব ফান্ড সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করে, সেই সব ফান্ডগুলোয় ঝূঁকি অনেকটাই কম। কিন্তু মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের যে ঝুঁকি তা কমাতে রয়েছে বেশ কয়েকটা কৌশল।
মার্কেট রিস্ক
মুদ্রাস্ফীতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক মন্দা, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ইত্যাদি বাজারকে প্রভাবিত করে। তবে, বাজার যদি স্থিতিশীল থাকে তাহলে মিউচুয়াল ফান্ড থেকে লাভজনক রিটার্ন পাওয়া সম্ভব। তবে ঝুঁকি এড়াতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও বাজার বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগ করাই শ্রেয়।
ডাইভার্সিফিকেশন
কোনও নির্দিষ্ট একটি সেক্টরে বা নির্দিষ্ট একটি থিমের মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ না করে বিভিন্ন সেক্টর ও বিভিন্ন মার্কেট ক্যাপের ফান্ডে ভাগ করে বিনিয়োগ করতে হয়। এ ছাড়াও কিছু বিনিয়োগ ডেট ফান্ড বা লিক্যুইড ফান্ডেও রাখা প্রয়োজন।
মুদ্রাস্ফীতি
বিনিয়োগের সময় এমন মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে হবে, যে ফান্ডের রিটার্ন মুদ্রাস্ফীতিকে হারিয়ে দেয়। বেশিরভাগ ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ডই দীর্ঘমেয়াদে মুদ্রাস্ফীতিকে হারিয়ে দেয়। ফলে, মুদ্রাস্ফীতিকে মাত করতে ইক্যুইটি মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা উচিত।
লিক্যুইডিটি
সব মিউচুয়াল ফান্ডের লিক্যুইডিটি সমান নয়। ফলে, এমন ফান্ডে বিনিয়োগ করা উচিত যে ফান্ডের লিক্যুইডিটি বেশি। নাহলে প্রয়োজনের সময় ফান্ড বিক্রি করা বেশ সমস্যার হয়ে যায়।
কোথাও বিনিয়োগ করতে চাইলে সেই বিষয়ে যথাযথ তথ্যানুসন্ধান ও বিশ্লেষণ করুন। এই লেখা শুধুমাত্র শিক্ষাগত উদ্দেশ্যে। TV9 বাংলা বিনিয়োগের কোনও উপদেশ দেয় না।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: যে কোনও বিনিয়োগে বাজারগত ঝুঁকি রয়েছে। ফলে, আগে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত নথি সাবধানে পড়ে নেবেন। তারপর বিনিয়োগ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।