আত্মহত্যা করেন স্বামী, তারপরও কেন এই কাজ করতেন রেখা? - Bengali News | Did you know why rekha wear sindoor after his husband death - 24 Ghanta Bangla News
Home

আত্মহত্যা করেন স্বামী, তারপরও কেন এই কাজ করতেন রেখা? – Bengali News | Did you know why rekha wear sindoor after his husband death

Spread the love

রেখা মানেই তাঁর জীবন বিতর্কে ভরা। তাঁকে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। ৭০ বছরে কখনও নাম জড়িয়েছে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে। আবার কখনও সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে তাঁর প্রেম নিয়ে হয়েছে চর্চা। জুটেছে ‘ঘরভাঙানি’ তকমা। তাঁর চরিত্র নিয়ে চলেছে কদর্য কাটাছেঁড়াও। মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকে সাংসারিক অনটনের তাগিদে শো-বিজে ডেবিউ করতে হয়েছিল তাঁকে। এ হেন রেখা বিয়েও করেন। দিল্লির ব্যবসায়ী মুকেশ আগরওয়াল ছিলেন তাঁর স্বামী। বিয়ের কিছু মাসের মধ্যেই যদিও আত্মহত্যা করেন মুকেশ। স্বামী মারা যাওয়ার পরেও রেখা সিঁদুর পরতেন। বিধবা হয়েও কেন এই কাজ করতেন রেখা, প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। আজও সিঁদুর পরতে দেখা যায় তাঁকে! তা নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। ঋষি কাপুর ও নিতু সিংয়ের বিয়েতেও একমাথা সিঁদুর পরে হাজির হয়েছিলেন রেখা। সেই ঘটনা তো রীতিমতো দখল করেছিল পেজ থ্রির হেডলাইন। কেন আজও সিঁদুর পরেন রেখা? সে উত্তর দিয়েছিলেন নিজেই।

রেখার আত্মজীবনী লিখেছিলেন ইয়াসির উসমা। জানিয়েছিলেন নিতু-ঋষির বিয়েতে রেখার সিঁদুর নিয়ে যখন জোর চর্চা তখন মুখ খুলেছিলেন রেখা নিজেই। জানিয়েছিলেন, এক শুট করছিলেন, যে শুটে সিঁদুর ও মঙ্গলসূত্র পরতে হয়েছিল তাঁকে। সেখান থেকেই বিয়েবাড়িতে আসেন। তাড়াহুড়োতে নাকি মেকআপ তুলতে ভুলে গিয়েছেন তিনি। যদিও এই কারণ কারও কাছে সেভাবে বিশ্বাসযোগ্য হয়নি।

অন্যদিকে এক সাক্ষাৎকারে রেখা বলেন, “যে শহরে আমার জন্ম সেখানে সিঁদুর ফ্যাশনের অংশ। আমার মনে হয় সিঁদুর পরলে আমাকে দেখতে ভাল লাগে। তাই নিজের জন্যই সিঁদুর পরি আমি। সিঁদুর আমাকে বেশ মানায়।” এ তো গেল রেখার বয়ান। রেখার সিঁদুর পরা নিয়ে আসল বোমাটা ফাটান অভিনেতা পুনিত ইসারের স্ত্রী দীপালি ইসার। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি একবার বলেছিলেন, রেখা নাকি সিঁদুর পরেন অমিতাভ বচ্চনের জন্য। তাঁদের প্রেম যে ছিল, এ খবর তো সকলেরই জানা। তবে তাঁরা বিয়ে করেছিলেন কিনা এ নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও সঠিক কোনও প্রমাণ আজ পর্যন্ত মেলে না। সে যাই হোক, বিতর্কে ভরা জীবন নিয়ে জীবনের ৬৯টা বসন্ত পার করে ফেলেছেন রেখা। তাঁকে নিয়ে মানুষের মনে আগ্রহে কিন্তু এতটুকু ভাঁটা পড়েনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *