Bardhaman Raj College: বর্ধমানেও থ্রেট কালচার! প্রাক্তন অধ্যক্ষ সরব হতেই বর্তমান ইনচার্জ বললেন, ‘কিছুই দেখিনি’ – Bengali News | Ex Professor of Bardhaman Raj College Alleges TMC Involved in Threat Culture on Campus
বাঁদিকে প্রাক্তন অধ্যক্ষ নিরঞ্জন মন্ডল, ডান দিকে টিচার ইনচার্জ বিজয় চাঁদImage Credit source: নিজস্ব চিত্র
পূর্ব বর্ধমান: আরজি কর কাণ্ডের পর থেকেই এই শব্দবন্ধনী সম্পর্কে বাংলার মানুষের তুলনামূলক একটা ধারণা তৈরি গিয়েছে। রাজ্যের প্রায় প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজ তথা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উঠেছে থ্রেট কালচারের অভিযোগ। আর প্রতিবারেই যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা নয় তো সরাসরি শাসক শিবিরের ছাত্র পরিষদের কর্মী বা নেতা। আর নয় তো এমন কোনও ‘কেউকেটার’ ঘনিষ্ঠ।
বর্ধমান রাজ কলেজেও চলেছে সেই থ্রেট কালচার। চালিয়েছে শাসক শিবিরের একাংশ, অভিযোগ প্রাক্তন অধ্যক্ষ নিরঞ্জন মন্ডল। বারবার তাঁর মুখে একটাই প্রসঙ্গ, তিনি এই থ্রেট কালচারের শিকার। অবশ্য, এখন এই থ্রেট কালচারের অস্তিত্ব আছে কিনা তা জানা সম্ভব হয়নি। কারণ, অভিযোগকারী চাই। তিনি প্রাক্তন। তাই ভয়-ডর ছাড়াই মুখ খুলেছেন।
এদিন প্রাক্তন অধ্যক্ষ বলেন, ‘যখন থেকে আমি নিযুক্ত হই। তখন থেকেই পরিস্থিতি ঠিক নেই। আমাকে তো জয়েন করতে দেওয়া হচ্ছিল না। আদালতে মামলা জিতে কলেজে নিযুক্ত হয়েছিলাম। চাপ তখন থেকেই।’ এরপরেই থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, ‘আমাকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত চরম চাপে রাখা হয়েছিল। ২০১৭ সালে ভোট হয়েছিল। তারপর থেকে প্রতি মুহূর্তে থ্রেট কালচার। বছর বছর অডিট হয়নি। আমি ঢোকার আগে এবং কিছুটা পরেও ওখানে টাকা চুরির নানা ঘটনা ঘটত। যে গুলো আমি নিজে বন্ধ করিয়েছি।’
এই থ্রেট কালচারের শিকার পড়ুয়ারাও। প্রাক্তন অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, ‘কিছু অংশের পড়ুয়ারা থ্রেট কালচারের শিকার হত। কিছু অংশ চালাত। যাদের আবার মদত দিত একাংশের অধ্যাপক।’ তাঁর সংযোজন, ‘আমাকে যখন সাসপেন্ড করা হল, বলা হল, ঠিক ভাবে নাকি আমি কলেজ পরিচালনা করতে পারেনি। কিন্তু আমি যখন কাজে যোগ দিয়েছিলাম, তখন আমার হাতে সাড়ে তিন কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল কলেজ ফান্ড হিসাবে। সেটা সম্ভবত এখন কয়েক ১৭ কোটির অধিক রয়েছে। আমি যদি পরিচালনা ভুল ভাবে করতাম, তাহলে এটা থাকত না। এরপরে আমাকে সাসপেন্ড করল, যার নেপথ্যে শাসক শিবিরের একাংশ রয়েছে।’
তবে থ্রেট কালচারের অভিযোগকে নস্যাৎ করেছেন রাজ কলেজের বর্তমান টিচার ইনচার্জ বিজয় চাঁদ। এদিন তিনি বলেন, ‘আমি যে দিন থেকে কাজে যোগ দিয়েছি, এই রকম কোনও অভিযোগ পাইনি। নিজেও ক্যাম্পাসে নানা সময় রাউন্ডে বের হই। সেই রকম কিছু দেখিনি।’
