Operation Midnight Hammer: উড়ে গিয়েছিল শতাধিক যুদ্ধবিমান! ইরানে তিন পরমাণু কেন্দ্রে কীভাবে হাতুড়ি মারল আমেরিকা? জানালেন সেনাকর্তা – Bengali News | Operation Midnight Hammer, How US Finish Iran Nuke Sites in 25 Minutes
মার্কিন সেনাকর্তা ড্যান কাইনিImage Credit source: Getty Image
নয়াদিল্লি: ২৫ মিনিটেই ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্র শেষ করেছে আমেরিকা। গোটা অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্য়ামার’। একেবারে হাতুড়ির মতো পরে ভেঙেছে ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্র ফরডো, নাতানজ় ও ইসফাহান। আর এই হামলায় বিশ্ববাসী দেখেছে সবচেয়ে শক্তিশালী যুদ্ধবিমান B-2 Stealth Bomber-এর ক্ষমতা।
এদিন হামলার পর ভারতীয় সময় অনুযায়ী, বিকাল নাগাদ একটি প্রেস বৈঠক করেন মার্কিন সেনার জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ জেনারেল ড্যান কাইনি। সেই বৈঠকেই হানা বিবরণ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন তিনি। বুঝিয়ে দেন কীভাবে GBU-57 ‘Massive Ordnance Penetrator’ বা সংক্ষেপে বলতে গেলে, বাঙ্কার ব্লাস্টার ধ্বংস করেছে ইরানের সবচেয়ে সুরক্ষিত পরমাণু কেন্দ্র ফরডোকে।
তিনি বলেন, ‘আমরা ১৩ হাজার কেজির দু’টি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ফরডো ও নাতানুজ় পরমাণু কেন্দ্রের উপর হামলা চালাই। আর ইশফাহান পরমাণু কেন্দ্রের জন্য কম শক্তিশালী তোমাহক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা করা হয়।’ রবিবার ভারতীয় সময় ভোর ৪টে ১০মিনিটে ইরানের আকাশসীমায় ঢুকেছিল মার্কিন যুদ্ধবিমানটি। যা সেই আকাশসীমা ছাড়ে ৪টে ৩৫ মিনিট নাগাদ, দাবি কাইনির।
তিনি আরও জানিয়েছেন, ২০০১ সালের পর প্রথম এত বড় কোনও অভিযানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী B-2 যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে আমেরিকা। যা মিসৌরি থেকে টানা ৩৭ ঘণ্টা ধরে উড়ে গিয়ে ইরানের তিন পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। মোট কতগুলি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে? সেই প্রসঙ্গে কাইনি সাংবাদিক বৈঠকে জানান, ‘এই ২৫ মিনিটের অভিযানে ১৪টি বাঙ্কার বাস্টার ও দুই ডজন তোমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে আমেরিকা। যার জন্য ইরানের আকাশে তাদের মোট ১২৫টি যুদ্ধবিমান পাঠাতে হয়েছিল।’
