Dog’s Milk: কুকুরের দুধ পান করছেন এক মহিলা! ‘কন্টেন্ট’ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল হইচই – Bengali News | ‘Stupid content’: PETA India’s ad featuring woman drinking ‘dog milk’ faces backlash
একটি ছবি। সঙ্গে লেখা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে এক মহিলা কুকুরের দুধ পান করছেন। আসলে কীসের বার্তা? নিরামিষ খাওয়া, প্রাণীহত্যা বন্ধ করার বার্তা দিতে গিয়েই এমনটা করা হয়েছে দ্য পিপল ফর দ্য এথিক্যাল ট্রিটমেন্ট অব অ্যানিম্যাল অর্থাৎ PETA-র তরফে। কিন্তু সেটা করতে গিয়ে এমন একটি বিজ্ঞাপন! PETA ইন্ডিয়ার বিজ্ঞাপন ঘিরে তুমুল হইচই সোশ্যাল মিডিয়ায়। পুরোটাই যেন বুমেরাং হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার অন্যতম কারণ, বিজ্ঞাপনের ছবি এবং তার লেখা।
ওয়ার্ল্ড মিল্ক ডে-তে PETA-র ইন্সটাগ্রামে এমনই এক ছবি পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে- আমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু, ভোপাল, চেন্নাই, মুম্বই, নয়ডার মতো শহরে একটি শক্তিশালী বার্তা দেওয়া হচ্ছে এই বিলবোর্ডের মাধ্যমে। সঙ্গে এও জানানো হয়েছে, দুধ এবং দুগ্ধজাত প্রোডাক্ট তৈরি করতে গিয়ে কতটা নৃশংস হতে হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, গরু কখনোই দুধ তৈরির মেশিন নয়। তাদের দুধ গরুর সন্তান অর্থাৎ বাছুরের জন্যও।
অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বাছুর তার মায়ের দুধ পানের সুযোগই পান না। ব্যবসার খাতিরে বেশিরভাগই দুধ দুইয়ে নেওয়া হয়। সন্তানের সঙ্গে যে অবিচার করা হচ্ছে, গরুর মতো প্রাণীকে দিয়ে একটা উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল PETA। কিন্তু তাদের এই বিলবোর্ড বা বিজ্ঞাপন পুরোপুরি বুমেরাং। এই বার্তা দেওয়ার জন্য এক মহিলা কুকুরের দুধ পান করছেন, এই ছবিটাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভের কারণ। অনেকেই লিখেছেন, ‘বোকা বোকা কন্টেন্ট।’
অনেকেরই বক্তব্য, ‘নিরামিষাশী বা ভেগানিজমের প্রচার করার আরও নানা পথ হতে পারত। এ ভাবে একটা ছবি বানানোর কোনও মানে হয় না। কুকুর কথা বলতে পারে না। নয়তো তারাও হয়তো বলত, এরকম ছবির কোনও মানেই দাঁড়ায় না।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘এর মাধ্যমে ঠিক কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে, সত্যিই বুঝতে পারছি না। বাছুরের জন্য আপনারা দুঃখিত এটা মেনে নিলাম। তা হলে কুকুরের সন্তানের জন্য দুঃখ কেন নয়? মানুষের জন্য যদি কুকুরের দুধ বিক্রি করা হয়, তাদের সন্তানদের কী হবে?’
অনেকে আবার PETA-র এই বিজ্ঞাপনের পাশেও দাঁড়িয়েছেন। ছবিটা নয়, বরং পরিস্থিতি এবং বার্তাটায় জোর দেওয়ার আবেদন করেছেন। একজন যেমন লিখেছেন, ‘যদি এই ছবিটা সত্যিই বিরক্তিকর হয়, তার মানে বাস্তবটা সত্যিই বিরক্ত বাড়ানোর মতোই। আমরা অন্য বিষয়গুলোর সঙ্গে অভ্য়স্ত। কিন্তু বাস্তব ভেবে দেখলে, যে কোনও পশুর দুধ পানই একইরকম অস্বস্তির। পেটা শুধু ভাবতে বলছে।’