বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে সোনা পাচারের ছক, ৫২ লক্ষ টাকার সোনার বিস্কুট উদ্ধার, গ্রেফতার যুবক - 24 Ghanta Bangla News
Home

বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে সোনা পাচারের ছক, ৫২ লক্ষ টাকার সোনার বিস্কুট উদ্ধার, গ্রেফতার যুবক

Spread the love

একসঙ্গে একাধিক সোনার বিস্কুট উদ্ধার হওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোড়ন ছড়িয়ে পড়েছে। প্রায় লক্ষাধিক টাকার সোনার বিস্কুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই বিপুল অর্থের সোনার বিস্কুট পাচার করার লক্ষ্যে ওপার বাংলা থেকে এপার বাংলায় নিয়ে আসা হয় বলে অভিযোগ। আর তার আগেই তল্লাশি চালাতে গিয়ে উদ্ধার হয়েছে সোনার বিস্কুট। আর এই কাজের সঙ্গে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে অবৈধ পথে সীমান্ত পেরিয়ে সোনা পাচার হয়ে আসার কথা গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে পৌঁছে যায়। তল্লাশি অভিযান চালিয়ে পুলিশ তিনটি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করে। আর তা মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়ার নওদাপাড়া ব্রিজ মোড় এলাকায় ধরা পড়ে।

পুলিশ সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির দিক থেকে সোনার বিস্কুটগুলি নিয়ে যাচ্ছিল লালগোলার দিকে। তখন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সাগরপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার–সহ তার পুলিশের দল সাগরপাড়া থানার নওদাপাড়া ব্রিজ মোড় সংলগ্ন এলাকায় নাকা তল্লাশি চালায়। তখন ওই যুবককে ধরা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার কথায় নানা অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। আর তল্লাশি চালাতেই ওই যুবকের কাছ থেকে বেরিয়ে পড়ে তিনটি সোনার বিস্কুট। সেগুলির কোনও বৈধ কাগজপত্রও মেলেনি। তখন ওই যুবককে বমাল গ্রেফতার করা হয়। ধৃত যুবকের নাম মিলন শেখ। বাড়ি চরকাকমারি এলাকায়।

আরও পড়ুন:‌ বিরোধীরা মাঠে নেই, বালি সমবায় ব্যাঙ্কের পরিচালন সমিতির সব আসনে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেস

এই তিনটি সোনার বিস্কুটের ওজন প্রায় ৫২৩ গ্রাম। তারপর কোনও বৈধ নথি নেই। আর মিথ্যে কথা বলছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাই যুবক মিলন শেখকে গ্রেফতার করে সাগরপাড়া থানার পুলিশ। আজ, সোমবার অভিযুক্ত যুবকের নামে একটি মামলা দায়ের হয়। একসপ্তাহের হেফাজতে চেয়ে সাগরপাড়া থানা থেকে বহরমপুর জেলা জজ আদালতে পাঠিয়েছে সাগরপাড়া থানার পুলিশ। কোথা থেকে নিয়ে আসছিল ওই সোনার বিস্কুট এবং এই পাচারের কাজের সঙ্গে কারা জড়িত আছে সেটার তদন্ত শুরু করেছে সাগরপাড়া থানার পুলিশ। এই সোনার বিস্কুটগুলির আনুমানিক বাজারদর প্রায় ৫২ লক্ষ টাকা।

এছাড়া মিলন শেখের হাত দিয়ে সোনার বিস্কুটগুলি পাচার হচ্ছিল। টাকার বিনিময়ে সে এই কাজ করে বলে জেরায় স্বীকার করেছে ধৃত। সেগুলি সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে বাংলায় ঢুকেছিল বলেও জানিয়েছে মিলন শেখ। আজ সোমবার ধৃতকে বহরমপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক ধৃতকে পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এই সোনা কোথায় পাচার করা হচ্ছিল? এই চক্রে আর কারা জড়িত? এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। সীমান্ত এলাকায় এখন অত্যন্ত কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে বলে খবর। কারণ ভারত–পাকিস্তান সংঘর্ষের ঘটনা এবং বাংলাদেশের অশান্তির জেরে অনুপ্রবেশ ঘটছে বলেই কড়া নিরাপত্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *