কোচবিহারে একই পরিবারের তিন মৃত্যু, মাংস খেয়ে সংক্রমণ? বিশেষজ্ঞ টিম গ্রামে - 24 Ghanta Bangla News
Home

কোচবিহারে একই পরিবারের তিন মৃত্যু, মাংস খেয়ে সংক্রমণ? বিশেষজ্ঞ টিম গ্রামে

Spread the love

একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু। কোচবিহারের সিতাই ১ ব্লকের ব্রহ্মোত্তরচাতরা গ্রামের এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে গ্রামে। রোগ সংক্রামিত খাসির মাংস খাওয়ার পরে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন কি না সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে তারা মৃত ছাগলের মাংস খেয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে এই ঘটনার সঙ্গে অ্য়ানথ্রাক্সের কোনও যোগ রয়েছে কি না তা নিয়েও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তবে এনিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। এনিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই বলেও জানিয়েছেন সরকারি আধিকারিকরা।

ইতিমধ্যেই বুধবার রাজ্য সরকার সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ, পশুরোগ বিশেষজ্ঞ, পদস্থ স্বাস্থ্য় আধিকারিকদের গ্রামে পাঠিয়েছিল।সূত্রের খবর নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। আদৌ এই ঘটনার সঙ্গে অ্যানথ্রাক্সের কোনও যোগ রয়েছে কি না সেটা দেখা হচ্ছে। তবে গোটা বিষয়টি জানতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। এমনটা উল্লেখ করা হয়েছে টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে।

অ্যানথ্রাক্স একটি সংক্রামিত রোগ। পশুরা সংক্রামিত হয় এই রোগে। সেখান থেকে মানুষের শরীরেও ছড়াতে পারে।

ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে গত মাসে ছাগলের মাংস খাওয়ার পরে পরিবারের তিনজন সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। পরে তিনজনের মৃত্যু হয়। ৬৩ বছরের জোনাকু বর্মন, তার স্ত্রী ৫৭ বছর বয়সি ক্ষীরবালা বর্মন ও পরিবারের অপর সদস্য জয়ন্তী বর্মনের( ৪৫) মৃত্যু হয়। জোনাকুকে প্রথমে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে তাকে কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ২২ এপ্রিল মৃত্যু হয় তার।

ক্ষীরবালাকে দিনহাটা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু স্বামীর মৃত্যু খবর পেয়ে রিস্ক বন্ডে সই করে বাড়ি ফিরে আসেন। বাড়িতেই ২৪ এপ্রিল মৃত্যু হয় তাঁর।

জয়ন্তী হাসপাতালে ভর্তি হতে চাননি। ১৪ মে মৃত্যু হয় তাঁর। এদিকে তৃতীয় মৃত্যুর পরে এক আশা কর্মী বিষয়টি স্বাস্থ্য দফতরকে জানান। তারপরই এনিয়ে খোঁজখবর শুরু হয়।

এদিকে গ্রামের সমস্ত গবাদি পশুকে প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছে।

এদিকে গ্রামের আরও কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। কয়েকজনে ডায়েরিয়া, বমি হচ্ছিল। তবে তারা বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

তবে ওই প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রোগ ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্কের কোনও বিষয় নেই। যারা মৃতদের সংস্পর্শে এসেছিলেন তারা গ্রামেই রয়েছেন। গ্রামের সমস্ত গবাদি পশুকেই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *