শুভেন্দু অধিকারীকে ‘সাদর চিত্তে’ তাঁদের আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ডাক চাকরিহারা ‘যোগ্য’দের! - 24 Ghanta Bangla News
Home

শুভেন্দু অধিকারীকে ‘সাদর চিত্তে’ তাঁদের আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ডাক চাকরিহারা ‘যোগ্য’দের!

Spread the love

বিকাশ ভবনের সামনে চাকরিহারা ‘যোগ্য’ শিক্ষক শিক্ষিকাদের আন্দোলন কি এবার নতুন মাত্রা পেতে চলেছে? এ নিয়ে জল্পনা শুরু হওয়ার কারণ হল, আন্দোলনকারীদের একটি ঘোষণা!

আজ (শুক্রবার – ১৬ মে, ২০২৫) বিকাশ ভবনের সামনে – আন্দোলনস্থল থেকেই সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে রাজ্যের সর্বস্তরের মানুষকে তাঁদের এই আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেন চাকরিহারারা। জানালেন, এই আন্দোলনে সমাজের সকল মানুষ, সমস্ত রাজনৈতিক দলকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন তাঁরা। শুধু তাঁরা যেন দলের ঝান্ডা নিয়ে আন্দোলনস্থলে না আসেন। বরং নিজেদের আদর্শ পাথেয় করেই চাকরিহারাদের হকের চাকরি ফেরত পেতে সাহায্য করেন।

আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে চাকরিহারা সুমন বিশ্বাস সাংবাদিকদের মাধ্যমে সকলের উদ্দেশে বলেন, ‘যৌথ সিদ্ধান্তে আমরা সর্বস্তরের মানুষ, সব দলকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমাদের আর্জি, আপনারা পাশে এসে দাঁড়ান। আমাদের চাকরি ফেরানোর ব্যবস্থা করুন। আমরা কাউকে গো-ব্যাক দেব না। সিপিএম, বিজেপি, কংগ্রেস, তৃণমূল যাঁরাই আসবেন, তাঁরা নিজেদের আদর্শ, দলীয় পতাকা ছাড়া আসুন।’

অর্থাৎ – আন্দোলনকারীরা যে তাঁদের লড়াইকে আরও বৃহত্তর রূপ দিতে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেই সকলকে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন, এটা একেবারে প্রথমেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন সুমন। বিশেষ বার্তা দিয়েছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীকেও।

এই প্রসঙ্গে চাকরিহারা ওই আন্দোলনকারী বলেন, ‘আমরা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে এই অবস্থায় সাদর চিত্তে আসার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। এই সিদ্ধান্ত আমাদের ঐক্যমতের ভিত্তিতেই নেওয়া। চাকরি ফেরানো থেকে শুরু করে যোগ্য-অযোগ্য বাছাই, প্রতি পর্বে আমাদের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এখন দেখার, আন্দোলনকারীদের কাছ থেকে এই ডাক পাওয়ার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি কী পদক্ষেপ করে! শুভেন্দু অধিকারী কী করেন? সেক্ষেত্রে একেবারে অরাজনৈতিক এই আন্দোলন রাজনৈতিক মোড় নেবে না তো? এর আগে আরজি কর ধর্ষণ খুনে সর্বাত্মক আন্দোলনের সাক্ষী থেকেছে বাংলা তথা ভারত।

কিন্তু, সেখানেও দু’টি বিষয় ছিল লক্ষ্যণীয়। প্রথমত – সেই আন্দোলন ছিল অরাজনৈতিক এবং আমজনতার স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন। এবং দ্বিতীয়ত – সেই আন্দোলন ছিল মূলত শহরকেন্দ্রিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *