High Cholesterol: আপনার কোলেস্টেরল বাড়ছে? জানান দেয় ত্বক, এইসব লক্ষণ দেখলেই সাবধান! – Bengali News | Your skin gives this hints when bad Cholesterol is increasing in your body, know the signs and symptoms
রক্তনালীতে কোলেস্টেরল জমা হওয়া নতুন কোনও বিষয় নয়। ঘরে ঘরে আজকাল এই সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। রক্তনালীতে এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল জমা হতে হতে রক্তনালীগুলি সরু হতে শুরু করে। যার কারণে শরীরের সকল অংশে রক্ত সরবরাহের জন্য হৃদপিণ্ডকে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হয়। এই অবস্থা দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকলে গুরুতর হৃদরোগ এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে। তাই সময় থাকতেই সাবধান হয়ে কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণ করাটা জরুরি।
প্রশ্ন হল কী করে বুঝবেন, আপনার শরীরে বাড়ছে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা? কখন সাবধান হবেন? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে ত্বক আগে থেকেই তার জানান দেয়। তাই ত্বকে কিছু লক্ষণ দেখলেই সাবধান হওয়া উচিত। দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে টেস্ট করাতে যেতে হবে। কিন্তু ত্বকে কী দেখলে সাবধান হবেন?
মনে রাখবেন কোলেস্টেরল আমাদের শরীরের জন্য অপরিহার্য। কোলেস্টেরল হল একপ্রকার চর্বি (লিপিড)। এটি আমাদের শরীরে কোষ গঠন, পিত্ত, হরমোন এবং ভিটামিন ডি গঠনে সাহায্য করে। তবে কোলেস্টেরল দু’প্রকার। ভাল কোলেস্টেরল (HDL) এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL)।
শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পেলে, তা গিয়ে ধমনীতে জমা হয়। ফলে রক্ত চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়। হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। কী ভাবে বুঝবেন আপনার শরীরে এমনটা হচ্ছে?
কোলেস্টেরল বৃদ্ধির কারণে ত্বকে কিছু লক্ষণ দেখা দেয় –
যেমন ত্বকে হলুদ বা সাদা দাগ, ত্বকের রঙের পরিবর্তন এবং চোখের চারপাশে পিণ্ডের মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এছাড়াও, ত্বকের আরও অনেক জায়গায় পিণ্ড দেখা দিতে পারে। কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে, চোখ, কনুই, হাঁটু বা গোড়ালির চারপাশে হলুদ বা সাদা দাগ বা ছোপ তৈরি হতে পারে। ত্বকে লাল ফুসকুড়ি বা চুলকানিও হতে পারে। চোখের পাতা এবং ত্বকে মোমের মতো, হলুদ-কমলা রঙের বৃদ্ধি দেখা দিতে পারে।
উল্লেখিত লক্ষণগুলি দেখলে, অবিলম্বে কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা উচিত। দৈনন্দিন রুটিন এবং খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা উচিত। ব্যায়াম শুরু করা উচিত। অথবা সকাল-সন্ধ্যা অবশ্যই হাঁটা খুব ভাল। কম চর্বিযুক্ত খাবার এবং ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য এবং চর্বিহীন প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া ভাল। পাশাপাশি ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। মদ্যপান এবং ধূমপান বন্ধ করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে ভুললে চলবে না কিন্তু।