মামার বাড়ি যাওয়ার নাম করে বেরিয়ে নিখোঁজ ৪ বালক, উৎকণ্ঠায় অভিভাবকরা - 24 Ghanta Bangla News
Home

মামার বাড়ি যাওয়ার নাম করে বেরিয়ে নিখোঁজ ৪ বালক, উৎকণ্ঠায় অভিভাবকরা

Spread the love

ঘুরতে যাওয়ার নাম করে বেরিয়ে আর বাড়ি ফিরল না চার বন্ধু। ঘটনাটি শিলিগুড়ির মাদানীবাজার এলাকার। একসঙ্গে চার বন্ধুর নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় উৎকণ্ঠায় রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। সোমবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। ইতিমধ্যেই থানার দ্বারস্থ হয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। চার বালকের অভিভাবকরা দ্রুত তাঁদের কাছে সন্তানদের ফিরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ বিড়াল, অভিযোগ কলকাতার ছাত্রীর, ২০০০ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা

স্থানীয় এবং পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, নিখোঁজ বালকদের বয়স ১০ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। তাদের নাম হল- রিপন রায়, দীপ অধিকারী, কার্তিক পাসোয়ান এবং শুভঙ্কর তামাং। পরিবারের সদস্যদের দাবি, সোমবার দুপুর নাগাদ শেষবারের মতো তাদের দেখা গিয়েছিল। কিন্তু, তারপর থেকে আর তাদের খোঁজ মেলেনি। সন্ধ্যা নামার পরও চারজনের কোনও হদিস না পেয়ে চিন্তায় পড়ে যান অভিভাবকরা। বিভিন্ন জায়গায় তাঁরা সন্তানদের খোঁজাখুঁজি করেন। আত্মীয়দের বাড়িতেও খোঁজ খবর নেন। কিন্তু, কোথাও না পেয়ে শেষ পর্যন্ত নিউ জলপাইগুড়ি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই বালকদের খোঁজে তদন্তে নেমেছে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ।

এই ঘটনায় নিখোঁজদের পরিবারের উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। এক অভিভাবক বলেন, ‘বাচ্চারা প্রতিদিনের মতোই খেলতে বেরিয়েছিল। কিন্তু, দীর্ঘক্ষণ হয়ে যাওয়ার পরেও তাদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। কেউ প্রলোভন দেখিয়ে কোথাও নিয়ে গেল কি না আমরা কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।’ রিপন রায়ের মা লিপিকা রায় বলেন, ‘প্রতিদিনকার মতোই আমি কাজে বেরিয়ে গিয়েছিলাম। তার কিছুক্ষণ পরে মেয়ে আমাকে ফোন করে জানায় যে রিপন ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছে। সে নাকি বলেছিল তার বন্ধুদের সঙ্গে মামার বাড়ি যাবে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর পরিবারের অন্যান্য লোকজন তাকে অনেক ডাকাডাকি করে। কিন্তু, রিপন ফেরেনি। তারপর থেকে আর তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’ অন্যান্য অভিভাবকরা জানান, রিপনের মামার বাড়িতে ফোন করে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। কিন্তু, সেখানে তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি। এই অবস্থায় চারজন কোথায় গেল? কোনও দুষ্টু চক্রের ফাঁদে পড়ল কিনা তা নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন তাদের অভিভাবকরা। তাঁরা চাইছেন দ্রুত তাঁদের সন্তানরা ঘরে ফিরে আসুক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *